শহিদনগর গণহত্যা/ Shahidnagar Genocide

১৯৭১ সালের ১৯ এপ্রিল হানাদার পাকিস্তানি বাহিনী তৎকালীন ডাববাগান আজকের শহীদনগর গ্রামে বর্বরোচিত হামলা চালিয়ে কয়েকশ গ্রামবাসীকে নির্বিচারে হত্যা করে।

 

*** 

On 19 April, the Pakistani army carried out a brutal attack on the then Dabbagan (present Shahidnagar), and killed hundreds of villagers indiscriminately.

নিকটবর্তী আরও স্থান
  • post-image
    শহিদনগর গণহত্যা/ Shahidnagar Genocide
    <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;" lang="BN-BD">১৯৭১ সালের ১৯ এপ্রিল হানাদার পাকিস্তানি বাহিনী তৎকালীন ডাববাগান আজকের শহীদনগর গ্রামে বর্বরোচিত হামলা চালিয়ে কয়েকশ গ্রামবাসীকে নির্বিচারে হত্যা করে।</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;">&nbsp;</p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;" lang="BN-BD">***&nbsp;</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">On 19 April, the Pakistani army carried out a brutal attack on the then Dabbagan (present Shahidnagar), and killed hundreds of villagers indiscriminately.</span></p>
  • post-image
    ঘাটপুরাণ ভারেঙ্গা বধ্যভূমি
    <p class="MsoNormal"><span style="font-family: 'Vrinda','serif'; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-font-family: Vrinda; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">&nbsp;</span></p> <p class="MsoNormal"><span style="font-family: 'Vrinda','serif'; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-font-family: Vrinda; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">ভারেঙ্গার ঘাটপুরাণে ১৯৭১ সালের বিভিন্ন সময়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী সাধারণ নিরীহ বাঙালিকে ধরে এনে নানাভাবে অত্যাচারের পর হত্যা করে নদীর ঘাটে নিয়ে ভাসিয়ে দিতো। <span style="mso-spacerun: yes;">&nbsp;</span>পরে তাদের আর কোন খোঁজ পাওয়া যেত না। <span style="mso-spacerun: yes;">&nbsp;</span>এখানে প্রত্যাক্ষদর্শীর মতে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে প্রায় ১০০-১৫০ জন নিরীহ বাঙালিকে হত্যা করে ফেলে দেওয়া হয়। </span></p>
  • post-image
    করমজা বধ্যভূমি
    <p class="MsoNormal">&nbsp;</p> <p class="MsoNormal"><span style="font-family: 'Vrinda','serif'; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-font-family: Vrinda; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী সাথিয়া উপজেলার করমজা গ্রামে বেড়া-সাথিয়া সংযোগ সড়কের পাশে নিরিবিলি স্থানে গ্রামের হিন্দু ও মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করে মাটিচাপা দিয়ে রাখে। </span></p>
  • post-image
    নগরবাড়ি ঘাট বধ্যভূমি
    <p class="MsoNormal">&nbsp;</p> <p class="MsoNormal"><span style="font-family: 'Vrinda','serif'; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-font-family: Vrinda; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজধানী শহর ঢাকা থেকে পাবনা তথা উত্তর বঙ্গে প্রবেশের একটা প্রধান পথ ছিলো নগরবাড়ি ঘাট।</span></p> <p class="MsoNormal"><span style="font-family: 'Vrinda','serif'; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-font-family: Vrinda; mso-bidi-language: BN;" lang="BN"> মুক্তিযুদ্ধের সারা নয় মাস পাকিস্তানি সেনা ও তাদের দোসররা বাঙালিদের ধরে এনে নির্যাতন করে হত্যা করতো এবং মৃতদেহগুলো যমুনা নদীতে ফেলে দিতো।&nbsp;</span></p>
  • post-image
    নগরবাড়ি গণহত্যা/ Nagarbari Genocide
    <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;" lang="BN-BD">একাত্তরের এপ্রিল থেকে শুরু করে ডিসেম্বরে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়া পর্যন্ত এই স্থানে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তাদের ক্যাম্প প্রতিষ্ঠা করে। যুদ্ধ চলাকালীন নগরবাড়িতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী প্রায় ২০০-৩০০ জন বাঙালিকে হত্যা করে।</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;" lang="BN-BD">***</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">The Pakistani invaders set their camps at this place from April to December in 1971 until Bangladesh became independent. During the wartime, the Pakistani army killed about 200-300 Bengalis at Nagarbari.</span></p>
  • post-image
    বৃশালিকা গ্রাম গণহত্যা/ Brishalika Village Genocide
    <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">পাবনা জেলার বেড়া থানার বৃশালিকা গ্রামের শহীদ সোরহাব আলী প্রামাণিক পিতা মৃত নয়ন উদ্দিন প্রামাণিক সাং বৃশালিকা, থানা বেড়া, জেলা পাবনা।&nbsp;একাত্তরের ১৪ আগস্ট তিনি ও তার ছেলে আঃ সেলিম লতিফ এবং ভাতিজা আলাউদ্দিন ভারতে চলে যান। তার ছেলে ও ভাতিজা সামরিক ট্রেনিং নিলেও তিনি কোন প্রকার ট্রেনিং গ্রহণ করেননি।&nbsp; ২/১২/৭১ তারিখ বিকেলে ভারত হতে বাড়িতে আসার খবর পেয়ে মতিউর রহমান নিজামী বিষয়টি পাকিস্তানী সেনাবাহিনীকে অবহিত করে। বৃশালিকা গ্রামটি ঘিরে তাকে ভোর সাড়ে ৫টায় ধরে নিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়। এর আগে তার ওপর নির্যাতন করা হয়।</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">১৯৭১ সালের ১৩ ডিসেম্বর একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের মাত্র কয়েকদিন আগে নিজামীর নির্দেশে পাকিস্তানী সেনাবাহিনী বেড়া থানার বৃশালিকা গ্রাম ঘেরাও করে প্রায় ৭০ জনকে গুলি করে হত্যা করে।</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;">&nbsp;</p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">***&nbsp;</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">Shahid Sorhab Ali Pramanik lived on Barsharika village of Bara thana in Pabna district. Along with his son Selim Latif and nephew Alauddin, he left for India on August 14, in 1971. Although, his son and nephew took military training, but he did not. &nbsp;Nizami informed the Pakistani army about the news of his arrival from India on the afternoon of 2/12/1971. He was brutally tortured and killed at 5:30 in the morning by the Pakistani army.</span></p> <p class="MsoNormal"><span style="font-family: 'Vrinda','serif'; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-font-family: Vrinda; mso-bidi-language: BN;" lang="BN"><span style="font-family: Kalpurush; font-size: 14pt; text-align: justify;">On December 13, just a few days before the victory, the Pakistani army surrounded the village of Barshalika at Bera thana and killed about 70 people.</span>&nbsp;</span></p> <h1 class="MsoNormal"><span style="font-family: 'Vrinda','serif'; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-font-family: Vrinda; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">&nbsp;</span></h1>
  • post-image
    ধুলাউরি গণহত্যা/ Dhulauri Genocide
    <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;" lang="BN-BD">পাবনা জেলার সাঁথিয়া থানা থেকে ৭ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত একটি গ্রাম ধুলাউড়ি। ১৯৭১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মুক্তিবাহিনীর একটি দল সাঁথিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে স্থাপিত রাজাকার ঘাঁটিতে সফল আক্রমণ করে এবং ৯ জন রাজাকারকে হত্যা করার পর তাদের সমস্ত অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে যায়। পরে ধুলাউরি গ্রামে অবস্থান গ্রহণ করে। ক্রোধে উন্মত্ত পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসররা তখন থেকেই গণহত্যার পরিকল্পনা করে এবং সুযোগের সন্ধানে থাকে।</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;" lang="BN-BD">ইতোমধ্যে ধুলাউড়ি গ্রামে মুক্তিযোদ্ধাদের অবস্থানের তথ্য এই এলাকার স্বাধীনতা বিরোধী কতিপয় ব্যক্তি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর নিকট প্রেরণ করে। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একজন দালাল আসাদ (বেড়া থানার জোড়দহ গ্রামের) পথপ্রদর্শক হিসেবে তাদেরকে মুক্তিযোদ্ধাদের অবস্থানের কাছে নিয়ে যায়। রাত আড়াইটার সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একটি দল রাজাকারদেরকে সঙ্গে নিয়ে গ্রামের চারদিক ঘিরে ফেলে এবং গুলিবর্ষণ শুরু করে। অতর্কিত এই আক্রমণে গ্রামবাসী ও মুক্তিযোদ্ধারা প্রস্তুত হওয়ার কোনো সুযোগই পাননি। শুরু হয় হত্যা</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">, <span lang="BN-BD">লুটপাট</span>, <span lang="BN-BD">ধর্ষণ</span>, <span lang="BN-BD">অগ্নিসংযোগ। মুক্তিযোদ্ধারা যথাসম্ভব প্রতিরোধের চেষ্টা করেন কিন্তু সফল হননি।</span></span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;" lang="BN-BD">সাঁথিয়া থানার মুক্তিবাহিনীর প্ল্যাটুন অধিনায়ক রেজাউল করিম জানান</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">, <span lang="BN-BD">তিনি তার প্ল্যাটুনের মুক্তিযোদ্ধা খবির ও অসংখ্য গ্রামবাসীকে ঘরের মধ্যে আগুনে পুড়ে মরতে দেখেছেন। মুক্তিযোদ্ধাদের অনেকেই পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হাতে ধরা পড়েন। মুক্তিযোদ্ধাদেরকে ও অনেক গ্রামবাসীকে রশি দিয়ে বেঁধে ধুলাউড়ি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশের ইছামতি নদীতীরে এনে জবাই করে হত্যা করা হয়। মুক্তিবাহিনীর একটি প্ল্যাটুনের মোট ৩০ জন মুক্তিযোদ্ধার মধ্যে ১১ জনকে ধরে এনে জবাই করে হত্যা করা হয়। অবশিষ্ট ১৯ জন পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিলেন। শহিদদের দেহ নদীতীরেই পড়ে ছিল। পাকিস্তানি সৈন্যরা স্থান ত্যাগ করার পর এলাকাবাসী সেখানে এসে শহিদদের লাশ দাফন করার ব্যবস্থা করেন। একই গণকবরে সবাইকে সমাহিত করা হয়। এদিন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হামলায় ১১ জন মুক্তিযোদ্ধা ও ২৫-২৫ জন গ্রামবাসী শহিদ হন।</span></span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">&nbsp;</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;" lang="BN-BD">১৭ শে নভেম্বর রাতে ধুলাউড়ি গ্রামের আবুল কাশেমের বাড়িতে বিবাহের অনুষ্ঠান ছিল। অনেক নারী অতিথিও ছিলেন সেখানে। পাকিস্তানি সৈন্য ও রাজাকাররা সেই বাড়িতে প্রবেশ করে লুটপাট ও নারীনির্যাতন করে।</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;">&nbsp;</p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">***</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">Dhulauri is a village 7 km north-west of Santhia thana in Pabna district. On September in 1971, a group of freedom fighters made a successful attack on the Razakar base at Santhia High School and took all of their weapons after killing 9 Razakars. Since then, the Pakistani army and their native allies Razakar planned for genocide and were looking for opportunities.</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">Meanwhile, some anti-</span> <span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">libertarian people informed about the position of the freedom fighters in Dhulawari village to the Pakistan Army. Asad (from Joradoho village of Bera Thana), a Pakistani informer, took them to the freedom fighters. At midnight, a group of Pakistan army surrounded the village with Razakars and started firing. The villagers and freedom fighters had no idea about the wanton attack. The Pakistani army and Razakars started to kill, loot, rape and arson. The freedom fighters tried to resist as much as possible but did not succeed.</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">Many of the freedom fighters were captured by the Pakistan Army. The freedom fighters and many villagers were tied with rope and brought to Ichamati river bank near Dhulauri Primary School and slaughtered. Out of the total 30 freedom fighters of a platoon, 11 were captured and slaughtered.</span> <span style="mso-spacerun: yes;">&nbsp;</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">The remaining 19 were able to escape. The bodies of the martyrs were lying on the bank of the river. After the Pakistani army left the area, local villagers arranged the martyrs to be buried in a mass grave. On that day, 11 freedom fighters and 20-25 villagers were martyred in the attack by the Pakistani invaders.&nbsp;&nbsp;</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">There was a wedding holding on the night of November 17 at the house of Abul Kashem in Dhulauri village. The Pakistani army and Razakars broke into that house and looted and tortured the women.</span></p>
  • post-image
    রূপসী গণহত্যা/ Rupsi Village Genocide
    <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;" lang="BN-BD">১৯৭১ সালের ১৪ মে শুক্রবার এবং ১৭ মে সোমবার পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও ঘাতক দালাল রাজাকাররা সাঁথিয়া উপজেলার রূপসী গ্রামে ঘটায় ভয়াবহ গণহত্যা। প্রায় ৪০০ মানুষ নিহত হয় এখানে। ঐদিন গভীর রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী গ্রাম দুটি ঘিরে ফেলে অবিরাম গুলি করতে থাকে। গোলাগুলির শব্দে সবাই ঘুম ভেঙে ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে দৌড়ে যে যেদিকে পারে পালাতে থাকে। পাকিস্তানি হায়েনাদের গুলিতে বহু নারী-পুরুষ-শিশু মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। কয়েক</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">&rsquo;<span lang="BN-BD">শ মানুষকে নদীর পাড়ে দাঁড় করিয়ে ব্রাশফায়ার করে হত্যা করা হয়।&nbsp;</span></span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;">&nbsp;</p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;"><span lang="BN-BD">***&nbsp;</span></span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">On 14<sup>th</sup> and 17<sup>th</sup> May in 1971, the Pakistani army and their native allies Razakar perpetrated a devastated massacre at Rupsi village in Santhia Upazila. About 400 people were killed here. At midnight, the Pakistani army surrounded the village and started fired continuously. At the sound of firing, villagers woke up from sleeping and ran here and there out of panic. Many women-men and children were killed that night. Hundreds of people were lined up on the bank of the river and shot.</span></p>
  • post-image
    বাউশগারি গ্রাম গণহত্যা/ Baushgari Village Genocide
    <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;" lang="BN-BD">১৪ মে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী মতিউর রহমান নিজামি ও স্থানীয়<span style="mso-spacerun: yes;">&nbsp;</span>পাকিস্তানি তথ্যসরবরাহকারী আসাদ এর সহায়তায় সাথিয়া উপজেলার বাউশগাড়ি গ্রামে আসেন। এখানে তারা ঐ দিন প্রায় ৩০০-৩৫০ জন নিরীহ মানুষকে নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করে।<span style="mso-spacerun: yes;">&nbsp;</span>একইদিন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ৩০-৪০ জন নারীকে অমানুষিক নির্যাতন ও ধর্ষণ করে।</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;">&nbsp;</p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;" lang="BN-BD">***&nbsp;</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">On 14<sup>th</sup> May in 1971, the Pakistani army arrived at Bausgari village in Santhia upazila with the help of Motiur Rahman Nizami and local Pakistani informer Asad. Here they killed around 300-305 innocent people on that day. On the same day, the Pakistani army inhumanly tortured and raped 30-40 women.</span></p>
  • post-image
    ডেমরা গণহত্যা
    <p>১৯৭১ সালের ১৪ মে শুক্রবার (১ জ্যৈষ্ঠ ১৩৭৮) এবং ১৭ মে সোমবার পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও ঘাতক দালাল রাজাকার ফরিদপুর থানার ডেমরা ইউনিয়নের ডেমরা গ্রাম এবং এর পাশে সাঁথিয়া থানার রূপসী গ্রামে ঘটায় ভয়াবহ গণহত্যা। প্রায় ৪০০ মানুষ নিহত হয়। এই নারকীয় হত্যাকান্ড &lsquo;ডেমরা হত্যাকান্ড নামে পরিচিত&rsquo; এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা সে সময অত্যন্ত খারাপ হলেও গ্রাম কয়টি ছিল সমৃদ্ধশালী ও হিন্দুপ্রধান এলাকা। পাবনা শহর থেকে এবং উল্লাপাড়া, শাহজাদপুর ও জেলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বহু হিন্দু মুসলীম নরনারী ওই এলাকায় গিয়ে আশ্রয় নিয়েছিল। ঐদিন গভীর রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী অবিরাম গুলিবর্সন করতে করতে গ্রাম দুটি গিরে ফেলে। ঘুমন্ত মানুষ গোলাগুলির শব্দে ঘুম ভেঙে ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে দৌড়ে যে যেদিকে পারে পালাতে থাকে । বর্বর পাকিস্তানি হায়েনাদের গুরিতে বহু নারী-পুরুষ-শিশু মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। কয়েক&rsquo;শ মানুষকে নদীর পাড়ে লাইন কের দাঁড় করিয়ে ব্রাশফায়ার করে হত্যা করে।&nbsp;</p>