লক্ষ্মিপুর কালীবাড়ি গণকবর

পাকিস্তানিরা আটঘরিয়া থানার লক্ষিপুর কালীবাড়িতে ৭১ এর ২০ আগস্ট এক নির্মম ও পাশবিক হত্যাকান্ড চালায়।  আনুমানিক বেলা ১০ টার সময় পাকবাহিনী লক্ষিপুরে হামলা চালায়। পাকিস্তানি বাহিনী সারা গ্রাম ঘুরে বাড়ি বাড়ি গিয়ে হিন্দু আর আওয়ামী লীগ সমর্থকদের খুঁজতে থাকে। যাদেরকে পায় তাদের হাত পিঠমোড়া করে বেঁধে গ্রামের কালি মন্দিরের সামনে নিয়ে আসে। এসময় ২৯ জনকে একসঙ্গে দাড় করিয়ে গুলি করা হয়। ২৯ জনের মধ্যে ২৮ জনই এ ফায়ারে শহীদ হন। মাত্র এক জন গুলি লেগে বেঁচে যায় কিন্তু সে তের বছর গণহত্যার নির্মম স্মৃতি নিজের শরীরে ধারন করে মারা যায়। 

নিকটবর্তী আরও স্থান
  • post-image
    লক্ষ্মিপুর কালীবাড়ি গণহত্যা
    <h1>পাকিস্তানি পশুরা আটঘরিয়া থানার লক্ষ্মীপুর কালীবাড়িতে ৭১ এর ২০ আগস্ট এক নির্মম ও পাশবিক হত্যাকাণ্ড চালায়।</h1> <h1>আনুমানিক বেলা ১০ টার সময় পাকবাহিনী লক্ষ্মীপুর হামলা চালায়। গ্রামের বাসিন্দারা মুক্তিবাহিনী আসার কথা শুনে তাদের হাত থেকে রক্ষা পেতে যে যেদিকে পারে পালাতে থাকে। পাকিস্তানি বাহিনী সারা গ্রাম ঘুরে বাড়ি বাড়ি গিয়ে হিন্দু আর আওয়ামী লীগ সমর্থকদের খুঁজতে থাকে। যাদেরকে পায় তাদের হাত পিঠমোড়া করে বেঁধে গ্রামের কালি মন্দিরের সামনে নিয়ে আসে।</h1> <h1>এসময় ২৯ জনকে একসঙ্গে দাড় করিয়ে গুলি করা হয়। ২৯ জনের মধ্যে ২৮ জনই এ ফায়ারে শহীদ হন। মাত্র এক জন গুলি লেগে বেঁচে যায়।&nbsp;</h1>
  • post-image
    লক্ষ্মিপুর কালীবাড়ি গণকবর
    <h1>পাকিস্তানিরা আটঘরিয়া থানার লক্ষিপুর কালীবাড়িতে ৭১ এর ২০ আগস্ট এক নির্মম ও পাশবিক হত্যাকান্ড চালায়।&nbsp; আনুমানিক বেলা ১০ টার সময় পাকবাহিনী লক্ষিপুরে হামলা চালায়। পাকিস্তানি বাহিনী সারা গ্রাম ঘুরে বাড়ি বাড়ি গিয়ে হিন্দু আর আওয়ামী লীগ সমর্থকদের খুঁজতে থাকে। যাদেরকে পায় তাদের হাত পিঠমোড়া করে বেঁধে গ্রামের কালি মন্দিরের সামনে নিয়ে আসে। এসময় ২৯ জনকে একসঙ্গে দাড় করিয়ে গুলি করা হয়। ২৯ জনের মধ্যে ২৮ জনই এ ফায়ারে শহীদ হন। মাত্র এক জন গুলি লেগে বেঁচে যায় কিন্তু সে তের বছর গণহত্যার নির্মম স্মৃতি নিজের শরীরে ধারন করে মারা যায়।&nbsp;</h1>
  • post-image
    কুচিয়ামোড়া গণহত্যা
    <p class="MsoNormal"><span style="font-family: 'Vrinda','serif'; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-font-family: Vrinda; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">&nbsp;</span></p> <p class="MsoNormal"><span style="font-family: Vrinda, serif;" lang="BN">১৯৭১ সালের ১৩ এপ্রিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী প্রথম পাবনা জেলা সদরের আতাইকুলা ইউনিয়নের কুচিয়ামোড়া গ্রামে প্রবেশ করে সকাল ৯ টা থেকে গণহত্যা চালাতে থাকে।&nbsp;&nbsp;গ্রামে হিন্দু প্রাধাণ্য থাকায় পাকিস্তানিদের বিশেষ নজর ছিল কুচিয়ামোড়া গ্রামের উপর।&nbsp;&nbsp;গ্রামে প্রবেশ করে পাকিস্তানি সৈন্য গ্রামে আগুন জালিয়ে দেয় এবং এলপাতাড়ি গুলি করতে থাকে।&nbsp;&nbsp;এদিনের হামলায় কুচিয়ামোড়া গ্রামে শহিদ হন- মনি গোপাল সাহা</span>,&nbsp;<span style="font-family: Vrinda, serif;" lang="BN">ফণী গোপাল সাহা</span>,&nbsp;<span style="font-family: Vrinda, serif;" lang="BN">সুষেণ কুমার সাহা</span>,&nbsp;<span style="font-family: Vrinda, serif;" lang="BN">রবীন্দ্রনাথ রায়সহ&nbsp;</span><span style="font-family: Vrinda, serif;">আরও প্রায় ২০-২৫ জন।৯৪ পরে পারিবারিকভাবে তাদের শেষকৃত্ত সম্পন্ন করা হয়।</span><span style="font-family: Vrinda, serif;">&nbsp;</span></p> <p class="MsoNormal">&nbsp;</p>
  • post-image
    সারদিয়া গ্রাম গণহত্যা/ Sardia village Genocide
    <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;" lang="BN-BD">১৩ এপ্রিল ১৯৭১ মঙ্গলবার পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী পাবনা সদর উপজেলার আতাইকুলা ইউনিয়নের সারদিয়া গ্রামে গণহত্যা চালায়। সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত চলে তাদের এই গণহত্যা। এ হামলার মূল কারণ ছিলো এই এলাকা ছিলো হিন্দু প্রধান। যে কারণে পাকিস্তানি সৈন্য সম্পূর্ণ গ্রাম জ্বালিয়ে দেয় এবং এলোপাতাড়ি গুলি করতে থাকে। সারদিয়া গ্রামের যারা শহিদ </span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">হন</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;" lang="BN-BD"> তাদের মধ্যে শুধু মাখনলাল পাল</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN;" lang="BN"> এর নাম জানা যায়।</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;">&nbsp;</p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;">&nbsp;</p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">*** </span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">On 13 April, the Pakistani </span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN;">Military Force</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;"> carried out a genocide at Sardia village of Atikula union of Pabna Sadar upazila. The main reason for the attack was that the area was Hindu inhabited. That is why the Pakistani army set fire to the whole village and fired randomly. Lot of people were exterminated during the genocide.&nbsp;</span></p> <p class="MsoNormal">&nbsp;</p>
  • post-image
    শাখারীপাড়া গণহত্যা/ Shakharipara Genocide
    <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;" lang="BN-BD">আতাইকুলা ইউনিয়নের একটা প্রসিদ্ধ গ্রাম হল শাখারীপাড়া। </span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">&rsquo;<span lang="BN-BD">৭১ এর ১৩ এপ্রিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এ গ্রামে এক নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালায়। সকাল থেকে চলে এ হত্যাকান্ড। গ্রামে প্রবেশ করে পাকিস্তানি সৈন্য গ্রামে আগুন জালিয়ে দেয় এবং এলপাতারি গুলি করতে থাকে। এদিন শাখারীপাড়া গ্রামের শহিদ হন- স্বপন কুমার সাহা চৌধুরী</span>, <span lang="BN-BD">গোপাল কুমার সাহা চৌধুরী</span>, <span lang="BN-BD">দ্বিজেন্দ্রনাথ সাহা</span>, <span lang="BN-BD">হরেন্দ্রনাথ সাহা</span>, <span lang="BN-BD">অশোক কুমার সাহা চৌধুরী</span>, <span lang="BN-BD">কালীপদ বাগচী প্রমুখসহ আরো অনেকে।</span></span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;">&nbsp;</p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;"><span lang="BN-BD">***&nbsp;</span></span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">Shakharipara is a prominent village of Ataikula Union. On the morning of 13<sup>th</sup> April, the Pakistani Military Force carried out a brutal genocide in the village. The Pakistani troops set fire to the village and fired aimlessly. Lot of villagers including Swapan Kumar Saha Chowdhury, Gopal Kumar Saha Chowdhury, Dwijendranath Saha, Harendranath Saha, Ashok Kumar Saha Chowdhury, Kalipad Bagchi became martyr on that day.</span></p>
  • post-image
    ধুলাউরি গণহত্যা/ Dhulauri Genocide
    <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;" lang="BN-BD">পাবনা জেলার সাঁথিয়া থানা থেকে ৭ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত একটি গ্রাম ধুলাউড়ি। ১৯৭১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মুক্তিবাহিনীর একটি দল সাঁথিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে স্থাপিত রাজাকার ঘাঁটিতে সফল আক্রমণ করে এবং ৯ জন রাজাকারকে হত্যা করার পর তাদের সমস্ত অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে যায়। পরে ধুলাউরি গ্রামে অবস্থান গ্রহণ করে। ক্রোধে উন্মত্ত পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসররা তখন থেকেই গণহত্যার পরিকল্পনা করে এবং সুযোগের সন্ধানে থাকে।</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;" lang="BN-BD">ইতোমধ্যে ধুলাউড়ি গ্রামে মুক্তিযোদ্ধাদের অবস্থানের তথ্য এই এলাকার স্বাধীনতা বিরোধী কতিপয় ব্যক্তি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর নিকট প্রেরণ করে। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একজন দালাল আসাদ (বেড়া থানার জোড়দহ গ্রামের) পথপ্রদর্শক হিসেবে তাদেরকে মুক্তিযোদ্ধাদের অবস্থানের কাছে নিয়ে যায়। রাত আড়াইটার সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একটি দল রাজাকারদেরকে সঙ্গে নিয়ে গ্রামের চারদিক ঘিরে ফেলে এবং গুলিবর্ষণ শুরু করে। অতর্কিত এই আক্রমণে গ্রামবাসী ও মুক্তিযোদ্ধারা প্রস্তুত হওয়ার কোনো সুযোগই পাননি। শুরু হয় হত্যা</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">, <span lang="BN-BD">লুটপাট</span>, <span lang="BN-BD">ধর্ষণ</span>, <span lang="BN-BD">অগ্নিসংযোগ। মুক্তিযোদ্ধারা যথাসম্ভব প্রতিরোধের চেষ্টা করেন কিন্তু সফল হননি।</span></span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;" lang="BN-BD">সাঁথিয়া থানার মুক্তিবাহিনীর প্ল্যাটুন অধিনায়ক রেজাউল করিম জানান</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">, <span lang="BN-BD">তিনি তার প্ল্যাটুনের মুক্তিযোদ্ধা খবির ও অসংখ্য গ্রামবাসীকে ঘরের মধ্যে আগুনে পুড়ে মরতে দেখেছেন। মুক্তিযোদ্ধাদের অনেকেই পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হাতে ধরা পড়েন। মুক্তিযোদ্ধাদেরকে ও অনেক গ্রামবাসীকে রশি দিয়ে বেঁধে ধুলাউড়ি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশের ইছামতি নদীতীরে এনে জবাই করে হত্যা করা হয়। মুক্তিবাহিনীর একটি প্ল্যাটুনের মোট ৩০ জন মুক্তিযোদ্ধার মধ্যে ১১ জনকে ধরে এনে জবাই করে হত্যা করা হয়। অবশিষ্ট ১৯ জন পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিলেন। শহিদদের দেহ নদীতীরেই পড়ে ছিল। পাকিস্তানি সৈন্যরা স্থান ত্যাগ করার পর এলাকাবাসী সেখানে এসে শহিদদের লাশ দাফন করার ব্যবস্থা করেন। একই গণকবরে সবাইকে সমাহিত করা হয়। এদিন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হামলায় ১১ জন মুক্তিযোদ্ধা ও ২৫-২৫ জন গ্রামবাসী শহিদ হন।</span></span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">&nbsp;</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;" lang="BN-BD">১৭ শে নভেম্বর রাতে ধুলাউড়ি গ্রামের আবুল কাশেমের বাড়িতে বিবাহের অনুষ্ঠান ছিল। অনেক নারী অতিথিও ছিলেন সেখানে। পাকিস্তানি সৈন্য ও রাজাকাররা সেই বাড়িতে প্রবেশ করে লুটপাট ও নারীনির্যাতন করে।</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;">&nbsp;</p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">***</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">Dhulauri is a village 7 km north-west of Santhia thana in Pabna district. On September in 1971, a group of freedom fighters made a successful attack on the Razakar base at Santhia High School and took all of their weapons after killing 9 Razakars. Since then, the Pakistani army and their native allies Razakar planned for genocide and were looking for opportunities.</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">Meanwhile, some anti-</span> <span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">libertarian people informed about the position of the freedom fighters in Dhulawari village to the Pakistan Army. Asad (from Joradoho village of Bera Thana), a Pakistani informer, took them to the freedom fighters. At midnight, a group of Pakistan army surrounded the village with Razakars and started firing. The villagers and freedom fighters had no idea about the wanton attack. The Pakistani army and Razakars started to kill, loot, rape and arson. The freedom fighters tried to resist as much as possible but did not succeed.</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">Many of the freedom fighters were captured by the Pakistan Army. The freedom fighters and many villagers were tied with rope and brought to Ichamati river bank near Dhulauri Primary School and slaughtered. Out of the total 30 freedom fighters of a platoon, 11 were captured and slaughtered.</span> <span style="mso-spacerun: yes;">&nbsp;</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">The remaining 19 were able to escape. The bodies of the martyrs were lying on the bank of the river. After the Pakistani army left the area, local villagers arranged the martyrs to be buried in a mass grave. On that day, 11 freedom fighters and 20-25 villagers were martyred in the attack by the Pakistani invaders.&nbsp;&nbsp;</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">There was a wedding holding on the night of November 17 at the house of Abul Kashem in Dhulauri village. The Pakistani army and Razakars broke into that house and looted and tortured the women.</span></p>
  • post-image
    হাদল-কালিকাপুর গণহত্যা
    <h1 class="MsoNormal" style="text-align: left;"><span style="font-family: 'Vrinda','serif'; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-font-family: Vrinda; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">১৯৭১ সালের ২৪ মে সোমবার ( ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৩৭৮) ফরিদপুর থানার হাদল ইউনিয়নের হাদল ও কালিকাপুর গ্রামে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী নিরস্ত্র মানুষের ওপর চালায় বর্বর আক্রমন। হাদল মাদ্রাসার সাবেক প্রিন্সিপাল মৃত নওয়াব আলী হাজীর ছেলে এবং ফরিদপুর থানা শান্তি কমিটির নেতা মাওলানা হাছেন আলী আলবদর ও ঘাতক দালাল রাজাকার গং হানাদার বাহিনীর সঙ্গে মিলে চালায় এই অমানবিক আক্রমণ।</span></h1> <h1 class="MsoNormal" style="text-align: left;"><span style="font-family: 'Vrinda','serif'; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-font-family: Vrinda; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">পাকিস্তানি হানাদারদের ৩০০ সদস্য বড়াল ব্রিজ স্টেশন থেকে হাদল-কালিকাপুর গ্রামে আসে। তারা প্রথমে তাদের সহযোগীদের নিয়ে রাতে সারা গ্রামটাকে ঘিরে ফেলে এবং ভোরবেলা হত্যাযজ্ঞ শুরু করে। তাদের এই হত্যা</span>, <span style="font-family: 'Vrinda','serif'; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-font-family: Vrinda; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">লুট</span>, <span style="font-family: 'Vrinda','serif'; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-font-family: Vrinda; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">ধর্ষণ বেলা ১১টা পর্যন্ত চলতে থাকে। এতেই তারা ক্ষান্ত হয়না। সমগ্র গ্রাম আগুনে জালিয়ে পুড়িয়ে দেয়। হাদল ও কালিকাপুরের ৭০ জন এবং অন্যান্য এলাকা থেকে এসে আশ্রয় নেয়া ৭৫ জনসহ প্রায় ৩০০ নিরীহ মানুষ নিহত হয়। এদের মধ্যে ১৩১ জনের নাম জানা যায়।<span style="mso-spacerun: yes;">&nbsp; </span></span></h1>
  • post-image
    উপজেলা প্রাঙ্গণ গণকবর
    <p>বাকস কবিক্&nbsp;্সকু্</p>
  • post-image
    ভবানীপুর গণহত্যা/ Bhabanipur Genocide
    <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;" lang="BN-BD">১৯৭১ সালের ৩ মে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী সুজানগর উপজেলার ভবানীপুর গ্রামে হামলা করে। এদিন তারা ঐ গ্রামের প্রায় ২০-৩০টা ঘরবাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়। সেদিন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ভবানীপুর গ্রামের প্রায় ২০ জনকে গুলি করে হত্যা করে।</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;">&nbsp;</p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;" lang="BN-BD">***&nbsp;</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">On 3<sup>rd</sup> May, the Pakistani invaders attacked the village of Bhabanipur in Sujanagar upazila. On that day, they set fire about 25-30 houses in that village. They killed about 20 people in the village of Bhabanipur on that day.</span></p>
  • post-image
    রূপসী গণহত্যা/ Rupsi Village Genocide
    <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;" lang="BN-BD">১৯৭১ সালের ১৪ মে শুক্রবার এবং ১৭ মে সোমবার পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও ঘাতক দালাল রাজাকাররা সাঁথিয়া উপজেলার রূপসী গ্রামে ঘটায় ভয়াবহ গণহত্যা। প্রায় ৪০০ মানুষ নিহত হয় এখানে। ঐদিন গভীর রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী গ্রাম দুটি ঘিরে ফেলে অবিরাম গুলি করতে থাকে। গোলাগুলির শব্দে সবাই ঘুম ভেঙে ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে দৌড়ে যে যেদিকে পারে পালাতে থাকে। পাকিস্তানি হায়েনাদের গুলিতে বহু নারী-পুরুষ-শিশু মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। কয়েক</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">&rsquo;<span lang="BN-BD">শ মানুষকে নদীর পাড়ে দাঁড় করিয়ে ব্রাশফায়ার করে হত্যা করা হয়।&nbsp;</span></span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;">&nbsp;</p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;"><span lang="BN-BD">***&nbsp;</span></span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">On 14<sup>th</sup> and 17<sup>th</sup> May in 1971, the Pakistani army and their native allies Razakar perpetrated a devastated massacre at Rupsi village in Santhia Upazila. About 400 people were killed here. At midnight, the Pakistani army surrounded the village and started fired continuously. At the sound of firing, villagers woke up from sleeping and ran here and there out of panic. Many women-men and children were killed that night. Hundreds of people were lined up on the bank of the river and shot.</span></p>