ফরেস্টঘাট বধ্যভূমি, খুলনা সদর, কোতয়ালী থানা/ Forest Ghat Mass killing site, Khulna Sadar

ভৈরব নদীর তীরে ফরেস্টঘাট ছিলো ১৯৭১ সালে একটি বধ্যভূমি। বধ্যভূমিটি ছিলো জজ সাহেবের বাসার ঠিক পেছনে। খুলনা সার্কিট হাউজের হেলিপোর্ট থেকে দিনের বেলার নির্যাতিত বাঙালি  এবং রাতের ঐ এলাকা দিয়ে চলমান নিরীহ মানুষদের হত্যা করে রাতের আঁধারে এখানে এনে লাশ নদীতে ফেলে দেয়া হতো। অনেক সময় এই ঘাটে জবাই করার সময় তাদের গগনবিদারী আর্তচিৎকার জজ সাহেব তার বাসা থেকে শুনতে পেতেন। নিরীহ মানুষের এই করুণ আর্তনাদ তৎকালীন জজ নেছারুল হক সহ্য করতে না পেরে তৎকালীন সামরিক অফিসারকে এ ধরনের কাজ এখানে না করার জন্য অনুরোধ করলে তাকে সামরিক অফিসারের শাসানি খেতে হয়।  ১৯৭১ এর ৩০ শে মে এই জজ সাহেব হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান। এখানে ফেলে দেওয়া লাশগুলো ভৈরব নদীতে ভেসে উঠত। যার সাক্ষী এলাকার লোকজন। ফরেস্ট ঘাটে নির্যাতনের এক জন প্রত্যক্ষ সাক্ষী শহিদ সোহরাওয়ার্দী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এফ এম মাকসুদুর রহমান, যিনি নিজেই জল্লাদের হাত থেকে বেঁচে গিয়েছিলেন গায়ের শক্তির জোরে। যেদিন  তিনি বেঁচে যান সেদিন তার সংগে আরো যে ৪০ জন ছিলো তাদের সবাইকে জবাই করে ভৈরব নদীতে ফেলে দেয়। একাত্তরের নয় মাসে এখানে ৫০০ অধিক বাঙালি কে হত্যা করা হয়। হতভাগ্যদের মধ্যে খুলনার আইনবিদ ও রাজনীতিবিদ আব্দুল জব্বার, লাকী মেডিসিনের মালিক আবুল কাশেমের ভাই নজরুল ইসলাম উল্লেখযোগ্য। এখানে একটি স্মৃতি ফলক আছে।

 

*** 

 

Forestghat, situated on the banks of Bhairav river, was used as an extermination camp and mass killing site in 1971. As the place had an ease access to the river, Pakistani military and their collaborator made it their camp. They slaughtered more than 500 people in Forestghat camp and threw out the bodies in the river.

নিকটবর্তী আরও স্থান
  • post-image
    ফরেস্টঘাট বধ্যভূমি, খুলনা সদর, কোতয়ালী থানা/ Forest Ghat Mass killing site, Khulna Sadar
    <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">ভৈরব নদীর তীরে ফরেস্টঘাট ছিলো ১৯৭১ সালে একটি বধ্যভূমি। বধ্যভূমিটি ছিলো জজ সাহেবের বাসার ঠিক পেছনে। খুলনা সার্কিট হাউজের হেলিপোর্ট থেকে দিনের বেলার নির্যাতিত বাঙালি<span style="mso-spacerun: yes;">&nbsp; </span>এবং রাতের ঐ এলাকা দিয়ে চলমান নিরীহ মানুষদের হত্যা করে রাতের আঁধারে এখানে এনে লাশ নদীতে ফেলে দেয়া হতো। অনেক সময় এই ঘাটে জবাই করার সময় তাদের গগনবিদারী আর্তচিৎকার জজ সাহেব তার বাসা থেকে শুনতে পেতেন। নিরীহ মানুষের এই করুণ আর্তনাদ তৎকালীন জজ নেছারুল হক সহ্য করতে না পেরে তৎকালীন সামরিক অফিসারকে এ ধরনের কাজ এখানে না করার জন্য অনুরোধ করলে তাকে সামরিক অফিসারের শাসানি খেতে হয়। <span style="mso-spacerun: yes;">&nbsp;</span>১৯৭১ এর ৩০ শে মে এই জজ সাহেব হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান। এখানে ফেলে দেওয়া লাশগুলো ভৈরব নদীতে ভেসে উঠত। যার সাক্ষী এলাকার লোকজন। ফরেস্ট ঘাটে নির্যাতনের এক জন প্রত্যক্ষ সাক্ষী শহিদ সোহরাওয়ার্দী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এফ এম মাকসুদুর রহমান</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush;">, </span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">যিনি নিজেই জল্লাদের হাত থেকে বেঁচে গিয়েছিলেন গায়ের শক্তির জোরে। যেদিন<span style="mso-spacerun: yes;">&nbsp; </span>তিনি বেঁচে যান সেদিন তার সংগে আরো যে ৪০ জন ছিলো তাদের সবাইকে জবাই করে ভৈরব নদীতে ফেলে দেয়। একাত্তরের নয় মাসে এখানে ৫০০ অধিক বাঙালি কে হত্যা করা হয়। হতভাগ্যদের মধ্যে খুলনার আইনবিদ ও রাজনীতিবিদ আব্দুল জব্বার</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush;">, </span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">লাকী মেডিসিনের মালিক আবুল কাশেমের ভাই নজরুল ইসলাম উল্লেখযোগ্য। এখানে একটি স্মৃতি ফলক আছে।</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush;">&nbsp;</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush;">***&nbsp;</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush;">&nbsp;</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush;">Forestghat, situated on the banks of Bhairav river, was used as an extermination camp and mass killing site in </span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">1971. </span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush;">As the place had an ease access to the river, Pakistani military and their collaborator made it their camp. They slaughtered more than </span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">500 </span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush;">people in Forestghat camp and threw out the bodies in the river.</span></p>
  • post-image
    ফরেস্টঘাট গণহত্যা/Forestghat genocide
    <p class="MsoNormal"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Siyam Rupali'; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">ভৈরব নদীর তীরে ফরেস্টঘাটটি ছিলো ১৯৭১ সালে<span style="mso-spacerun: yes;">&nbsp; </span>ঘাতকদের আর এক জল্লাদখানা। খুলনা জেলা জজের বাংলো সংলগ্ন এ ঘাটটি তখন বাগান পরিবেষ্ঠিত ছিলো। রাতের বেলা সাধারণ মানুষ এ পথ ধরে চলাচল করতো না। কেবল দিনের বেলা নদী পারাপার ও ঘাটের কাজে কিছু লোক এ ঘাট ব্যবহার করতো।&nbsp;</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Siyam Rupali'; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">তবে মুক্তিযুদ্ধের সময়ে পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকারদের ভয়ে এ ঘাটের ব্যবহার বন্ধ হয়ে যায়। এটি তখন ঘাতকদের দখলে চলে যায়। এখানে ঘাট থাকায় নদীর কিনারা পর্যন্ত সহজে যাওয়া যেত বিধায় ঘাতকরা এ জায়গাকে জল্লাদ খানা হিসেবে বেছে নেয়। এখানে গড়ে প্রতিদিন ২০ জনকে (বিশজন) জবাই করে পেট চিরে লাশ নদীতে ভাসিয়ে দেয়া হতো বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়।</span></p> <p class="MsoNormal">&nbsp;</p> <p class="MsoNormal"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Siyam Rupali'; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">***</span></p> <p class="MsoNormal"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 107%; font-family: 'Siyam Rupali'; color: black; background: white;">Forestghat, situated on the banks of Bhairav river, was used as an extermination camp in 1971. As the place had an ease access to the river, Pakistani military and their collaborator made it their camp. They slaughtered 20 people (on average) per day in Forestghat camp and threw out the bodies in the river. </span></p>
  • post-image
    ফরেস্টঘাট নিযার্তন কেন্দ্র/ Forestghat Torture center
    <p class="MsoNormal"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Siyam Rupali'; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">ভৈরব নদীর তীরে ফরেস্টঘাটটি ছিলো ১৯৭১ সালে<span style="mso-spacerun: yes;">&nbsp; </span>ঘাতকদের আর এক জল্লাদখানা। খুলনা জেলা জজের বাংলো সংলগ্ন এ ঘাটটি তখন বাগান পরিবেষ্ঠিত ছিলো। রাতের বেলা সাধারণ মানুষ এ পথ ধরে চলাচল করতো না। কেবল দিনের বেলা নদী পারাপার ও ঘাটের কাজে কিছু লোক এ ঘাট ব্যবহার করতো। তবে মুক্তিযুদ্ধের সময়ে পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকারদের ভয়ে এ ঘাটের ব্যবহার বন্ধ হয়ে যায়। এটি তখন ঘাতকদের দখলে চলে যায়। এখানে ঘাট থাকায় নদীর কিনারা পর্যন্ত সহজে যাওয়া যেত বিধায় ঘাতকরা এ জায়গাকে জল্লাদ খানা হিসেবে বেছে নেয়। এখানে গড়ে প্রতিদিন ২০ জনকে (বিশজন) জবাই করে পেট চিরে লাশ নদীতে ভাসিয়ে দিতো বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়।</span></p> <p class="MsoNormal"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Siyam Rupali';"><span style="mso-spacerun: yes;">&nbsp;</span></span></p> <p class="MsoNormal"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Siyam Rupali'; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">ফরেস্ট ঘাট ছিলো তৎকালীন জজ সাহেবের বাসার ঠিক পেছনে। প্রতিদিন রাতে নিরীহ বাঙালিদের আর্তনাদ তিনি সহ্য করতে না পেরে তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত সামরিক অফিসারকে অনুরোধ করেছিলেন</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Siyam Rupali';">, </span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Siyam Rupali'; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">এ ধরনের কাজ এখানে না করার জন্য। তার উত্তরে তিনি পেয়েছিলেন শাসানি। এই নৃশংসতা সহ্য করতে না পেরে ১৯৭১ সালের ৩০ মে তিনি হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান। এখানকার নির্যাতন থেকে মুক্তি পাওয়া একজন শহীদ সোহরাওয়ার্দি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক এফ এম মাকসুদুর রহমান। তিনি বলেন</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Siyam Rupali';">, </span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Siyam Rupali'; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">৪১ জনকে দঁড়ি দিয়ে বেঁধে জবাই করার জন্য সিরিয়াল করা হয়। তিনি ছিলেন ওই সিরিয়ালের ৬ নম্বরে। তার সামনে পর পর পাঁচ জনকে জবাই করা হয়। তিনি ছিলেন শক্তিশালী কুস্তিগীর। তাই মৃত্যু নিশ্চিত জেনে তিনি কসাইকে জাপটে ধরে নদীতে ঝাঁপ দেয়। ধস্তাধস্তি করে ছাড়া পেয়ে নদী দিয়ে ভেসে চলে যান নাগালের বাইরে। কিন্তু সেদিন বাকি কেউ বাঁচতে পারেনি। মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রায় পুরোটা সময় জুড়ে চলে এখানে গণহত্যা। প্রতিদিন ভাটিতে লাশের সংখ্যা দেখে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায় এখানে কয়েক হাজার লোককে জবাই বা বিভিন্ন কায়দায় হত্যা করা হয়।</span></p> <p class="MsoNormal">&nbsp;</p> <p class="MsoNormal"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Siyam Rupali'; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">দৈনিক বাংলা পত্রিকায় ১৯৭২ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি নিজস্ব প্রতিবেদক লিখেছেন-</span></p> <p class="MsoNormal">&nbsp;</p> <p class="MsoNormal"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Siyam Rupali'; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">রাতের বেলা জজ কোর্টের পেছনে ফরেস্ট ঘাটে বাঙালিদের এনে জবাই করা হতো এবং দেহগুলো পেট চিরে নদীতে ফেলে দেয়া হতো। এই ঘাটটি আবার জজ সাহেবের বাসার ঠিক পেছনেই। রাতের নিস্তব্ধতা ভেদ করে সেই সব মৃত্যুপথযাত্রী বাঙালিদের করুণ আর্তনাদ জজ সাহেবের কানে পৌঁছাতো। ঘুম হতো না তাঁর। ঐ সময় গড়ে অন্তত ২০ জনকে প্রতিরাতে এখানে জবাই করা হতো বলে ধারণা। নদীতে যেভাবে মৃতদেহ ভাসতো</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Siyam Rupali';">, </span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Siyam Rupali'; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">তাতে তাই প্রমাণ করে। তবে পেট চিরে দেয়ার কারণে অনেকলাশ আবার নদীতে তলিয়ে যেতো। দিনে হেলিপোর্ট আর রাতে ফরেস্ট ঘাটের এইসব হত্যাকা- সহ্য করতে না পেরে জজ সাহেব তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত সামরিক অফিসারকে অনুরোধ করেছিলেন যে</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Siyam Rupali';">, </span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Siyam Rupali'; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">বিচালয়ের সামনে বা পাশে যেন এ ধরণের কাজ না করা হয়। তার উত্তরে তিনি পেয়েছিলেন মৃত্যুর শাসানি। এই নৃশংসতা সহ্য করতে না পেরে কিছুদিন পরে ৩০ মে তিনি হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান। এ ঘটনার একদিন পরে একইভাবে মারা যায় তার কর্মচারী সৈয়দ কায়ছার আলী এবং তার কয়েকদিন পরে মারা যায় তার পিয়ন আব্দুর রউফ।</span></p> <p class="MsoNormal">&nbsp;</p> <p class="MsoNormal"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Siyam Rupali'; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">***</span></p> <p class="MsoNormal"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Siyam Rupali'; mso-bidi-language: BN;" lang="BN"><span style="font-size: 18.6667px;">Forestghat, situated on the banks of Bhairav river, was used as an extermination camp in 1971. As the place had an ease access to the river, Pakistani military and their collaborator made it their camp. They slaughtered 20 people (on average) per day in Forestghat camp and threw out the bodies in the river.</span></span></p>
  • post-image
    সার্কিট হাউজ হেলিপোর্ট নির্যাতন কেন্দ্র/ Circuit House Heliport Torture center
    <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">পাকিস্তানি জল্লাদরা নিরীহ বাঙালিদের প্রকাশ্য দিবালোকে হেলিপোর্টের প্রবেশপথে [বর্তমান সার্কিট হাউজের নতুন ভবনে] পা উপরে মাথা নিচে দিয়ে ঝুলিয়ে রাখতো।&nbsp; আর ঐ অবস্থায় চলতো নির্যাতন মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত। শেষরাতের দিকে লাশগুলো ফরেস্ট ঘাট কখনও গল্লামারী বধ্যভূমিতেও ফেলে রাখা হতো। এ স্থানটিতে ২০১৬ সালে <em>&lsquo;১৯৭১ : গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ জাদুঘরে</em>&rsquo;র পক্ষ থেকে একটি স্মৃতিফলক স্থাপন করা হয়েছে।</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;">&nbsp;</p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;">&nbsp;</p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN;">***&nbsp;&nbsp;</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN;">Pakistani military used to torture Bengali people at the entrance of Heliport [new building of current circuit house] by hanging them for whole day. They used to torture innocent people until their death has been confirmed. A memorial has been built on the spot in 2106 by &lsquo;1971: Genocide-Torture Archive and Museum&rsquo;.</span></p>
  • post-image
    সাকির্ট হাউজ গণহত্যা / Circuit House genocide
    <p class="MsoNormal"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Siyam Rupali'; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">খুলনা সার্কিট হাউজের (পুরনো ভবন) পিছনে (উত্তর দিকে) আটচালা টিনশেড ঘরটি ছিলো হেলিপ্যাডের বিশ্রমাগার (বর্তমানে নতুন ভবন)। ১৯৭১ এ মুক্তিযুদ্ধকালে সার্কিট হাউসকে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী তাদের<span style="mso-spacerun: yes;">&nbsp; </span>অফিস হিসেবে ব্যবহার করতো এবং বিশ্রমাগারটি ব্যবহৃত হতো নির্যাতন কেন্দ্র হিসেবে। বিশ্রামাগারটির সামনে খোলা জায়গায় বাঁশ দিয়ে পিরামিডের মতো একটি স্তম্ভ তৈরি করে সেখানে মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তিযুদ্ধের সমর্থকদের জিজ্ঞাসাবাদের নামে প্রকাশ্যে ঝুলিয়ে নির্মমভাবে নির্যাতন ও হত্যা করা হতো। সেই সময়ের প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Siyam Rupali';">, </span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Siyam Rupali'; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">এখানে প্রতিদিন কমপক্ষে শতাধিক ব্যক্তিকে নির্যাতন করা হতো</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Siyam Rupali';">; </span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Siyam Rupali'; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">নির্যাতনে মৃত্যুবরণকারীদের লাশ ফেলে দেয়া হতো পাশের ভৈরব নদীতে।</span></p> <p class="MsoNormal"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Siyam Rupali';"><span style="mso-spacerun: yes;">&nbsp;</span></span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Siyam Rupali'; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">&nbsp;</span></p> <p class="MsoNormal"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Siyam Rupali'; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">নগরীর সাউথ সেন্ট্রাল রোডের বাসিন্দা মালিক সরোয়ারউদ্দিন এ প্রসঙ্গে বলেন</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Siyam Rupali';">, &lsquo;</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Siyam Rupali'; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">মুক্তিযুদ্ধকালে আমার মেঝ ভাইকে পাকিস্তানি সেনারা এদেশীয় দালালদের সহযোগিতায় এখানে ধরে নিয়ে আসে। তাকে আটদিন আটকে রেখে নির্যাতনের পরে আমরা প্রতিবেশী শান্তি কমিটির সাধারণ সম্পা</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Siyam Rupali'; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">দক আব্দুল আহাদের সাথে যোগাযোগ করে তাকে মুক্ত করি। এরপরে চিকিৎসা করাই। চিকিৎসা শেষে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেয়।'<span style="mso-spacerun: yes;">&nbsp;</span></span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Siyam Rupali'; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">একজন প্রত্যক্ষদর্শী রূপালী ব্যাংকের কর্মকর্তা সালাম সরদারের উদ্ধৃতি দিয়ে মোল্লা আমীর হোসেন লেখেন</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Siyam Rupali';">, '</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Siyam Rupali'; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">হেলিপ্যাডে নির্যাতনের জন্য লোক ধরার কাজে একজন অবাঙালি দারোয়ান জড়িত ছিলো। এখানে কয়েক হাজার নিরীহ বাঙালিকে হত্যা করা হয়।'&nbsp;</span></p> <p class="MsoNormal">&nbsp;</p> <p class="MsoNormal"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Siyam Rupali'; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">***&nbsp;</span></p> <p class="MsoNormal">&nbsp;</p> <p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; line-height: normal;"><span style="font-size: 14pt; font-family: 'Siyam Rupali';">In <span lang="BN">1971 </span>Pakistani military used Khulna Circuit House as their office and torture center. They used to torture freedom-fighters and supporters of liberation war, and killed afterwards by hanging them publicly</span><span style="font-size: 14pt; font-family: Cambria, serif;">&nbsp;</span><span style="font-size: 14pt; font-family: 'Siyam Rupali';">here<span lang="BN">.</span></span><span style="font-size: 14pt; font-family: Cambria, serif;">&nbsp;</span><span style="font-size: 14pt; font-family: 'Siyam Rupali';">According to the eyewitnesses of that time, at least <span lang="BN">100 </span>people were tortured per day here, and those who died in the torture were thrown out in the nearby Bhairab river.</span><span style="font-size: 14pt; font-family: Cambria, serif;">&nbsp;</span><span style="font-size: 14pt; font-family: 'Siyam Rupali';">Several thousand Bengalis were killed here in <span lang="BN">1971.</span></span><span style="font-size: 14pt; font-family: Cambria, serif;">&nbsp;</span></p> <p class="MsoNormal">&nbsp;&nbsp;</p> <p class="MsoNormal">&nbsp;</p>
  • post-image
    সার্কিট হাউজ শহীদ স্মৃতি ফলক/ Circuit house martyr memorial
    <p class="MsoNormal"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Siyam Rupali'; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">পাকিস্তানি জল্লাদরা নিরীহ বাঙালিদের প্রকাশ্য দিবালোকে হেলিপোর্টের প্রবেশপথে [বর্তমান সার্কিট হাউজের নতুন ভবনে] পা উপরে মাথা নিচে দিয়ে ঝুলিয়ে রাখতো।<span style="mso-spacerun: yes;">&nbsp; </span>আর ঐ অবস্থায় চলতো নির্যাতন মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত। শেষরাতের দিকে লাশগুলো ফরেস্ট ঘাট কখনও গল্লামারী বধ্যভূমিতেও ফেলে রাখা হতো। </span></p> <p class="MsoNormal">&nbsp;</p> <p class="MsoNormal"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Siyam Rupali'; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">এ স্থানটিতে ২০১৬ সালে ১৯৭১ : গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ জাদুঘরের পক্ষ থেকে একটি স্মৃতিফলক স্থাপন করা হয়েছে।</span></p> <p class="MsoNormal">&nbsp;</p> <p class="MsoNormal">&nbsp;</p> <p class="MsoNormal"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 107%; font-family: 'Siyam Rupali'; mso-bidi-language: BN;">&nbsp;</span></p> <p class="MsoNormal"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 107%; font-family: 'Siyam Rupali'; mso-bidi-language: BN;">***</span></p> <p class="MsoNormal"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 107%; font-family: 'Siyam Rupali'; mso-bidi-language: BN;">Pakistani military used to torture Bengali people at the entrance of Heliport [new building of current circuit house] by hanging them for whole day. They used to torture innocent people until their death has been confirmed.</span></p> <p class="MsoNormal">&nbsp;</p> <p class="MsoNormal">&nbsp;</p> <p class="MsoNormal"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 107%; font-family: 'Siyam Rupali'; mso-bidi-language: BN;">A memorial has been built on the spot in 2106 by <em>&lsquo;1971: Genocide-Torture Archive and Museum&rsquo;</em>.&nbsp;</span></p> <p>&nbsp;</p>
  • post-image
    আলতাপোল লেন গণহত্যা/ Altapol Lane Genocide
    <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; color: black; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">১৯৭১ সালের ৩১ মার্চ<span style="mso-spacerun: yes;">&nbsp; </span>রাতে পাকিস্তানি বাহিনী খুলনা শহরের আলতাপোল লেনে</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; color: black; mso-bidi-language: BN;">, (<span lang="BN">সরকারি পাওনিয়ার কলেজ) মহাদেব চক্রবর্তীসহ সাত জনকে গুলি করে হত্যা করে। এই মহাদেব চক্রবর্তী ছিলেন সরকারি বিএল কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ব্রজলাল চক্রবর্তীর জ্ঞাতি ভাই। সম্প্রতি </span><em>&lsquo;<span lang="BN">১৯৭১ : গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর</span>&rsquo;</em><span lang="BN"> এই গণহত্যায় শহীদদের স্মরণে শহীদ মহাদেব চক্রবর্তীর বাড়ি বর্তমান পাইওনিয়ার মহিলা কলেজ ক্যাম্পাসে এবং গেটে স্মৃতিফলক নির্মাণ করেছে।</span></span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;">&nbsp;</p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; color: black; mso-bidi-language: BN;">***</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; color: black; mso-bidi-language: BN;">On the night of March 31, 1971, Pakistani Army killed 7 people including Mohadeb Chakrabarty in Altapol Lane of Khulna city. Mohadeb Chakrabarty was a relative ofBrajlal Chakrabarty, the founder of Govt. BL College. A memorial has been built in the memory of the victims recently by &lsquo;<em>1971: Genocide-Torture Archive and Museum&rsquo;. <span style="mso-spacerun: yes;">&nbsp;</span><span style="mso-spacerun: yes;">&nbsp;</span></em></span></p>
  • post-image
    কাস্টমঘাট গণহত্যা/ Custom Ghat genocide
    <p class="MsoNormal"><span style="font-size: 14pt; font-family: Kalpurush;" lang="BN">ভৈরব নদীর পূর্ব তীরে সার্কিট হাউসের সন্নিকটে অবস্থিত কাস্টম ঘাট। ফরেস্ট ঘাটের ন্যায় এ ঘাটটিকেও ঘাতকরা তাদের জল্লাদখানা হিসেবে বেছে নেয়। বিহারীদের একটি দল সার্কিট হাউসে পাকসেনাদের সাথে সবসময়ই অবস্থান করত এবং এরাই কাস্টমঘাটে বাঙালিদেরকে নির্মমভাবে হত্যা করতো</span><span style="font-size: 14pt; font-family: Kalpurush;" lang="HI">।</span><span style="font-size: 14pt; font-family: Kalpurush;" lang="BN">এখানে ঘাতকেরা যাদেরকে ধরে আনতো তাদেরকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় নদীতে জীবন্ত ফেলে দিয়ে হত্যা করতো। এমনই একটা হত্যা প্রচেষ্টার হাত থেকে অলৌকিকভাবে বেঁচে যায় খুলনা জেলা প্রশসকের কার্যালয়ের কর্মচারী শক্তিপদ সেন। শক্তিপদ সেন বেঁচে যাওয়ায় এ ঘটনা সম্পর্কে জানা সম্ভব হয়েছে। এ ভাবে এ ঘাটে তথা এ নদীতে ডুবিয়ে কতজন নিরীহ বাঙালিকে পাকিস্তানি সেনারা হত্যা করেছে তার পরিসংখ্যান উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি</span><span style="font-size: 14pt; font-family: Kalpurush;" lang="HI">।</span></p> <p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; line-height: normal;">&nbsp;</p> <p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; line-height: normal;"><span style="font-size: 14.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-bidi-font-family: Mangal; color: black; mso-bidi-language: HI;">***&nbsp;</span></p> <p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; line-height: normal;"><span style="font-size: 14.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-bidi-font-family: Mangal; color: black; mso-bidi-language: HI;">The Custom Ghat is located near the Circuit House on the eastern bank of the river Bhairab. A group of Biharis, along with Pakistani Military, used to live in the Circuit House, and the Biharis used to exterminate Bengali people in the Custom Ghat. No one knows how many people were exterminated in this place. <span style="mso-spacerun: yes;">&nbsp;</span></span></p> <p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; line-height: normal;"><span style="font-size: 14.0pt; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-bidi-font-family: Vrinda; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; color: black; mso-bidi-language: BN;">&nbsp;</span></p> <p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; line-height: normal;"><span style="font-size: 7.5pt; font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: Kalpurush; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; color: black; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">&nbsp;</span></p> <p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">&nbsp;</span></p>
  • post-image
    পাইওনিয়ার কলেজ শহীদ স্মৃতি ফলক/ Pioneer College Martyr Memorial
    <p class="MsoNormal"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Siyam Rupali'; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">১৯৭১ সালের ৩১ মার্চ<span style="mso-spacerun: yes;">&nbsp; </span>রাতে পাকিস্তানি বাহিনী খুলনা শহরের আলতাপোল লেনে [সরকারি পাওনিয়ার কলেজ] মহাদেব চক্রবর্তীসহ সাত জনকে গুলি করে হত্যা করে। এই মহাদেব চক্রবর্তী ছিলেন সরকারি বিএল কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ব্রজলাল চক্রবর্তীর জ্ঞাতি ভাই । </span></p> <p class="MsoNormal">&nbsp;</p> <p class="MsoNormal"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Siyam Rupali'; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">অতি সম্প্রতি ১৯৭১ : গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর এই গণহত্যায় শহীদদের স্মরণে শহীদ মহাদেব চক্রবর্তীর বাড়ি বর্তমান পাইওনিয়ার মহিলা কলেজ ক্যাম্পাসে এবং গেটে স্মৃতিফলক নির্মাণ করেছে।</span></p> <p class="MsoNormal">&nbsp;</p> <p class="MsoNormal"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Siyam Rupali'; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">***</span></p> <p class="MsoNormal"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Siyam Rupali'; mso-bidi-language: BN;" lang="BN"><span style="font-size: 14pt; line-height: 107%;">Pakistani military killed 7 people including Mahadev Chakraborty at Altapol Lane in Khulna city [Government Pioneer college] on 31 March 1971. A memorial has been built recently on the spot by &lsquo;1971: Genocide-Torture Archive and Museum&rsquo;.</span></span></p>
  • post-image
    রেলওয়ে হাসপাতাল কোয়ার্টারের পেছনে গণহত্যা/ Railway Hospital Quarter Genocide
    <p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; text-align: justify; line-height: normal;"><span style="font-size: 14pt; font-family: Kalpurush;" lang="BN">খুলনা রেলওয়ে হাসপাতাল কোয়ার্টারের পেছনের দিকে বর্তমানে যেখানে সোনালী ব্যাংক ভবন এবং বাজার পোস্ট অফিস অবস্থিত</span><span style="font-size: 14pt; font-family: Kalpurush;">,</span><span style="font-size: 14pt; font-family: Cambria, serif;">&nbsp;</span><span style="font-size: 14pt; font-family: Kalpurush;" lang="BN">৭১ এ এই সমস্থ জায়গা ডোবা ছিলো</span><span style="font-size: 14pt; font-family: Kalpurush;" lang="HI">।</span><span style="font-size: 14pt; font-family: Kalpurush;" lang="BN">মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন এখানে বিভিন্ন সময়ে গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে</span><span style="font-size: 14pt; font-family: Kalpurush;">,</span><span style="font-size: 14pt; font-family: Cambria, serif;">&nbsp;</span><span style="font-size: 14pt; font-family: Kalpurush;" lang="BN">কয়েকশত বাঙালিকে এখানে হত্যা করে ডোবায় ফেলে রাখা হয়। এর পাশে ফেরিঘাট মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় তখন বিহারিরা বাঙালিদের জবাই করে ফেলে রাখতো। জায়গাটি এখন দেখে বোঝার কোন উপায় নেই যে এখানে ১৯৭১ সালে নিরীহ বাঙালিদের মেরে ফেখা হতো। নিরীহ বাঙালির রক্ত এবং কংকালের উপর দাঁড়িয়ে আছে সুরম্য অট্টালিকা। জায়গাটি একেবারেই অনালোচিত এবং অচিহ্নিত</span><span style="font-size: 14pt; font-family: Kalpurush;" lang="HI">।</span></p> <p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; text-align: justify; line-height: normal;"><span style="font-size: 14pt; font-family: Kalpurush;">&nbsp;</span></p> <p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; text-align: justify; line-height: normal;"><span style="font-size: 14pt; font-family: Kalpurush;">***</span></p> <p class="MsoNormal"><span style="font-size: 14pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush;">There was a pool (dhoba)</span><span style="font-size: 14pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush;">behind Khulna Railway Hospital Quarter back in 1971. During the War of Liberation, genocide was perpetrated several times by Pakistani Army and Biharis here. Biharis used to slaughter Bengali people in the Masque area near to the Feryghat.</span></p>