ধুলাউরি গণহত্যা, পাবনা/ Dhulauri Genocide

পাবনা জেলার সাঁথিয়া থানা থেকে ৭ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত একটি গ্রাম ধুলাউড়ি। ১৯৭১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মুক্তিবাহিনীর একটি দল সাঁথিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে স্থাপিত রাজাকার ঘাঁটিতে সফল আক্রমণ করে এবং ৯ জন রাজাকারকে হত্যা করার পর তাদের সমস্ত অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে যায়। পরে ধুলাউরি গ্রামে অবস্থান গ্রহণ করে। ক্রোধে উন্মত্ত পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসররা তখন থেকেই গণহত্যার পরিকল্পনা করে এবং সুযোগের সন্ধানে থাকে।

ইতোমধ্যে ধুলাউড়ি গ্রামে মুক্তিযোদ্ধাদের অবস্থানের তথ্য এই এলাকার স্বাধীনতা বিরোধী কতিপয় ব্যক্তি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর নিকট প্রেরণ করে। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একজন দালাল আসাদ (বেড়া থানার জোড়দহ গ্রামের) পথপ্রদর্শক হিসেবে তাদেরকে মুক্তিযোদ্ধাদের অবস্থানের কাছে নিয়ে যায়। রাত আড়াইটার সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একটি দল রাজাকারদেরকে সঙ্গে নিয়ে গ্রামের চারদিক ঘিরে ফেলে এবং গুলিবর্ষণ শুরু করে। অতর্কিত এই আক্রমণে গ্রামবাসী ও মুক্তিযোদ্ধারা প্রস্তুত হওয়ার কোনো সুযোগই পাননি। শুরু হয় হত্যা, লুটপাট, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ। মুক্তিযোদ্ধারা যথাসম্ভব প্রতিরোধের চেষ্টা করেন কিন্তু সফল হননি।

সাঁথিয়া থানার মুক্তিবাহিনীর প্ল্যাটুন অধিনায়ক রেজাউল করিম জানান, তিনি তার প্ল্যাটুনের মুক্তিযোদ্ধা খবির ও অসংখ্য গ্রামবাসীকে ঘরের মধ্যে আগুনে পুড়ে মরতে দেখেছেন। মুক্তিযোদ্ধাদের অনেকেই পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হাতে ধরা পড়েন। মুক্তিযোদ্ধাদেরকে ও অনেক গ্রামবাসীকে রশি দিয়ে বেঁধে ধুলাউড়ি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশের ইছামতি নদীতীরে এনে জবাই করে হত্যা করা হয়। মুক্তিবাহিনীর একটি প্ল্যাটুনের মোট ৩০ জন মুক্তিযোদ্ধার মধ্যে ১১ জনকে ধরে এনে জবাই করে হত্যা করা হয়। অবশিষ্ট ১৯ জন পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিলেন। শহিদদের দেহ নদীতীরেই পড়ে ছিল। পাকিস্তানি সৈন্যরা স্থান ত্যাগ করার পর এলাকাবাসী সেখানে এসে শহিদদের লাশ দাফন করার ব্যবস্থা করেন। একই গণকবরে সবাইকে সমাহিত করা হয়। এদিন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হামলায় ১১ জন মুক্তিযোদ্ধা ও ২৫-২৫ জন গ্রামবাসী শহিদ হন।

 

১৭ শে নভেম্বর রাতে ধুলাউড়ি গ্রামের আবুল কাশেমের বাড়িতে বিবাহের অনুষ্ঠান ছিল। অনেক নারী অতিথিও ছিলেন সেখানে। পাকিস্তানি সৈন্য ও রাজাকাররা সেই বাড়িতে প্রবেশ করে লুটপাট ও নারীনির্যাতন করে।

 

***

Dhulauri is a village 7 km north-west of Santhia thana in Pabna district. On September in 1971, a group of freedom fighters made a successful attack on the Razakar base at Santhia High School and took all of their weapons after killing 9 Razakars. Since then, the Pakistani army and their native allies Razakar planned for genocide and were looking for opportunities.

Meanwhile, some anti- libertarian people informed about the position of the freedom fighters in Dhulawari village to the Pakistan Army. Asad (from Joradoho village of Bera Thana), a Pakistani informer, took them to the freedom fighters. At midnight, a group of Pakistan army surrounded the village with Razakars and started firing. The villagers and freedom fighters had no idea about the wanton attack. The Pakistani army and Razakars started to kill, loot, rape and arson. The freedom fighters tried to resist as much as possible but did not succeed.

Many of the freedom fighters were captured by the Pakistan Army. The freedom fighters and many villagers were tied with rope and brought to Ichamati river bank near Dhulauri Primary School and slaughtered. Out of the total 30 freedom fighters of a platoon, 11 were captured and slaughtered.  The remaining 19 were able to escape. The bodies of the martyrs were lying on the bank of the river. After the Pakistani army left the area, local villagers arranged the martyrs to be buried in a mass grave. On that day, 11 freedom fighters and 20-25 villagers were martyred in the attack by the Pakistani invaders.  

There was a wedding holding on the night of November 17 at the house of Abul Kashem in Dhulauri village. The Pakistani army and Razakars broke into that house and looted and tortured the women.

নিকটবর্তী আরও স্থান
  • post-image
    ধুলাউরি গণহত্যা, পাবনা/ Dhulauri Genocide
    <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;" lang="BN-BD">পাবনা জেলার সাঁথিয়া থানা থেকে ৭ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত একটি গ্রাম ধুলাউড়ি। ১৯৭১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মুক্তিবাহিনীর একটি দল সাঁথিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে স্থাপিত রাজাকার ঘাঁটিতে সফল আক্রমণ করে এবং ৯ জন রাজাকারকে হত্যা করার পর তাদের সমস্ত অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে যায়। পরে ধুলাউরি গ্রামে অবস্থান গ্রহণ করে। ক্রোধে উন্মত্ত পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসররা তখন থেকেই গণহত্যার পরিকল্পনা করে এবং সুযোগের সন্ধানে থাকে।</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;" lang="BN-BD">ইতোমধ্যে ধুলাউড়ি গ্রামে মুক্তিযোদ্ধাদের অবস্থানের তথ্য এই এলাকার স্বাধীনতা বিরোধী কতিপয় ব্যক্তি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর নিকট প্রেরণ করে। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একজন দালাল আসাদ (বেড়া থানার জোড়দহ গ্রামের) পথপ্রদর্শক হিসেবে তাদেরকে মুক্তিযোদ্ধাদের অবস্থানের কাছে নিয়ে যায়। রাত আড়াইটার সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একটি দল রাজাকারদেরকে সঙ্গে নিয়ে গ্রামের চারদিক ঘিরে ফেলে এবং গুলিবর্ষণ শুরু করে। অতর্কিত এই আক্রমণে গ্রামবাসী ও মুক্তিযোদ্ধারা প্রস্তুত হওয়ার কোনো সুযোগই পাননি। শুরু হয় হত্যা</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">, <span lang="BN-BD">লুটপাট</span>, <span lang="BN-BD">ধর্ষণ</span>, <span lang="BN-BD">অগ্নিসংযোগ। মুক্তিযোদ্ধারা যথাসম্ভব প্রতিরোধের চেষ্টা করেন কিন্তু সফল হননি।</span></span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;" lang="BN-BD">সাঁথিয়া থানার মুক্তিবাহিনীর প্ল্যাটুন অধিনায়ক রেজাউল করিম জানান</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">, <span lang="BN-BD">তিনি তার প্ল্যাটুনের মুক্তিযোদ্ধা খবির ও অসংখ্য গ্রামবাসীকে ঘরের মধ্যে আগুনে পুড়ে মরতে দেখেছেন। মুক্তিযোদ্ধাদের অনেকেই পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হাতে ধরা পড়েন। মুক্তিযোদ্ধাদেরকে ও অনেক গ্রামবাসীকে রশি দিয়ে বেঁধে ধুলাউড়ি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশের ইছামতি নদীতীরে এনে জবাই করে হত্যা করা হয়। মুক্তিবাহিনীর একটি প্ল্যাটুনের মোট ৩০ জন মুক্তিযোদ্ধার মধ্যে ১১ জনকে ধরে এনে জবাই করে হত্যা করা হয়। অবশিষ্ট ১৯ জন পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিলেন। শহিদদের দেহ নদীতীরেই পড়ে ছিল। পাকিস্তানি সৈন্যরা স্থান ত্যাগ করার পর এলাকাবাসী সেখানে এসে শহিদদের লাশ দাফন করার ব্যবস্থা করেন। একই গণকবরে সবাইকে সমাহিত করা হয়। এদিন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হামলায় ১১ জন মুক্তিযোদ্ধা ও ২৫-২৫ জন গ্রামবাসী শহিদ হন।</span></span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">&nbsp;</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;" lang="BN-BD">১৭ শে নভেম্বর রাতে ধুলাউড়ি গ্রামের আবুল কাশেমের বাড়িতে বিবাহের অনুষ্ঠান ছিল। অনেক নারী অতিথিও ছিলেন সেখানে। পাকিস্তানি সৈন্য ও রাজাকাররা সেই বাড়িতে প্রবেশ করে লুটপাট ও নারীনির্যাতন করে।</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;">&nbsp;</p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">***</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">Dhulauri is a village 7 km north-west of Santhia thana in Pabna district. On September in 1971, a group of freedom fighters made a successful attack on the Razakar base at Santhia High School and took all of their weapons after killing 9 Razakars. Since then, the Pakistani army and their native allies Razakar planned for genocide and were looking for opportunities.</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">Meanwhile, some anti-</span> <span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">libertarian people informed about the position of the freedom fighters in Dhulawari village to the Pakistan Army. Asad (from Joradoho village of Bera Thana), a Pakistani informer, took them to the freedom fighters. At midnight, a group of Pakistan army surrounded the village with Razakars and started firing. The villagers and freedom fighters had no idea about the wanton attack. The Pakistani army and Razakars started to kill, loot, rape and arson. The freedom fighters tried to resist as much as possible but did not succeed.</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">Many of the freedom fighters were captured by the Pakistan Army. The freedom fighters and many villagers were tied with rope and brought to Ichamati river bank near Dhulauri Primary School and slaughtered. Out of the total 30 freedom fighters of a platoon, 11 were captured and slaughtered.</span> <span style="mso-spacerun: yes;">&nbsp;</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">The remaining 19 were able to escape. The bodies of the martyrs were lying on the bank of the river. After the Pakistani army left the area, local villagers arranged the martyrs to be buried in a mass grave. On that day, 11 freedom fighters and 20-25 villagers were martyred in the attack by the Pakistani invaders.&nbsp;&nbsp;</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">There was a wedding holding on the night of November 17 at the house of Abul Kashem in Dhulauri village. The Pakistani army and Razakars broke into that house and looted and tortured the women.</span></p>
  • post-image
    ধুলাউরি গণকবর, পাবনা
    <p><span style="font-size: 11.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Vrinda','sans-serif'; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-fareast-font-family: Calibri; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-ansi-language: EN-US; mso-fareast-language: EN-US; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">ধুলাউরি গণকবর</span><span style="font-size: 12.0pt; line-height: 115%; font-family: SutonnyMJ; mso-fareast-font-family: Calibri; mso-bidi-font-family: 'Times New Roman'; mso-ansi-language: EN-US; mso-fareast-language: EN-US; mso-bidi-language: AR-SA;">, </span><span style="font-size: 12.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Vrinda','sans-serif'; mso-ascii-font-family: SutonnyMJ; mso-fareast-font-family: Calibri; mso-hansi-font-family: SutonnyMJ; mso-ansi-language: EN-US; mso-fareast-language: EN-US; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">পাবনা</span></p> <p><span style="font-size: 12.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Vrinda','sans-serif'; mso-ascii-font-family: SutonnyMJ; mso-fareast-font-family: Calibri; mso-hansi-font-family: SutonnyMJ; mso-ansi-language: EN-US; mso-fareast-language: EN-US; mso-bidi-language: BN;" lang="BN"><span style="font-size: 11pt; line-height: 115%;" lang="BN">ধুলাউরি গ্রামে পাকিস্তানিদের হামলায় খবির উদ্দিন</span><span style="font-size: 11.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Calibri','sans-serif'; mso-fareast-font-family: Calibri; mso-bidi-font-family: 'Times New Roman'; mso-ansi-language: EN-US; mso-fareast-language: EN-US; mso-bidi-language: AR-SA;">, </span><span style="font-size: 11pt; line-height: 115%;" lang="BN">চাঁদ আলী</span><span style="font-size: 11.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Calibri','sans-serif'; mso-fareast-font-family: Calibri; mso-bidi-font-family: 'Times New Roman'; mso-ansi-language: EN-US; mso-fareast-language: EN-US; mso-bidi-language: AR-SA;">, </span><span style="font-size: 11pt; line-height: 115%;" lang="BN">দারা মিয়া</span><span style="font-size: 11.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Calibri','sans-serif'; mso-fareast-font-family: Calibri; mso-bidi-font-family: 'Times New Roman'; mso-ansi-language: EN-US; mso-fareast-language: EN-US; mso-bidi-language: AR-SA;">, </span><span style="font-size: 11pt; line-height: 115%;" lang="BN">মকছেদ আলী বিশ্বাস</span><span style="font-size: 11.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Calibri','sans-serif'; mso-fareast-font-family: Calibri; mso-bidi-font-family: 'Times New Roman'; mso-ansi-language: EN-US; mso-fareast-language: EN-US; mso-bidi-language: AR-SA;">, </span><span style="font-size: 11pt; line-height: 115%;" lang="BN">আকতার আলম</span><span style="font-size: 11.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Calibri','sans-serif'; mso-fareast-font-family: Calibri; mso-bidi-font-family: 'Times New Roman'; mso-ansi-language: EN-US; mso-fareast-language: EN-US; mso-bidi-language: AR-SA;">, </span><span style="font-size: 11pt; line-height: 115%;" lang="BN">মহসিন মধু</span><span style="font-size: 11.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Calibri','sans-serif'; mso-fareast-font-family: Calibri; mso-bidi-font-family: 'Times New Roman'; mso-ansi-language: EN-US; mso-fareast-language: EN-US; mso-bidi-language: AR-SA;">, </span><span style="font-size: 11pt; line-height: 115%;" lang="BN">শাহজাহান আলী</span><span style="font-size: 11.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Calibri','sans-serif'; mso-fareast-font-family: Calibri; mso-bidi-font-family: 'Times New Roman'; mso-ansi-language: EN-US; mso-fareast-language: EN-US; mso-bidi-language: AR-SA;">, </span><span style="font-size: 11pt; line-height: 115%;" lang="BN">মোসলেম উদ্দিন</span><span style="font-size: 11.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Calibri','sans-serif'; mso-fareast-font-family: Calibri; mso-bidi-font-family: 'Times New Roman'; mso-ansi-language: EN-US; mso-fareast-language: EN-US; mso-bidi-language: AR-SA;">, </span><span style="font-size: 11pt; line-height: 115%;" lang="BN">ডা. আব্দুল আওয়াল</span><span style="font-size: 11.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Calibri','sans-serif'; mso-fareast-font-family: Calibri; mso-bidi-font-family: 'Times New Roman'; mso-ansi-language: EN-US; mso-fareast-language: EN-US; mso-bidi-language: AR-SA;">, </span><span style="font-size: 11pt; line-height: 115%;" lang="BN">ডা. আবুল কাশেম ফকির</span><span style="font-size: 11.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Calibri','sans-serif'; mso-fareast-font-family: Calibri; mso-bidi-font-family: 'Times New Roman'; mso-ansi-language: EN-US; mso-fareast-language: EN-US; mso-bidi-language: AR-SA;">, </span><span style="font-size: 11pt; line-height: 115%;" lang="BN">আব্দুর রশিদ ফকির</span><span style="font-size: 11.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Calibri','sans-serif'; mso-fareast-font-family: Calibri; mso-bidi-font-family: 'Times New Roman'; mso-ansi-language: EN-US; mso-fareast-language: EN-US; mso-bidi-language: AR-SA;">, </span><span style="font-size: 11pt; line-height: 115%;" lang="BN">জহুরুল ইসলাম ফকির</span><span style="font-size: 11.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Calibri','sans-serif'; mso-fareast-font-family: Calibri; mso-bidi-font-family: 'Times New Roman'; mso-ansi-language: EN-US; mso-fareast-language: EN-US; mso-bidi-language: AR-SA;">, </span><span style="font-size: 11pt; line-height: 115%;" lang="BN">ওয়াজেদ আলী সরকার</span><span style="font-size: 11.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Calibri','sans-serif'; mso-fareast-font-family: Calibri; mso-bidi-font-family: 'Times New Roman'; mso-ansi-language: EN-US; mso-fareast-language: EN-US; mso-bidi-language: AR-SA;">, </span><span style="font-size: 11pt; line-height: 115%;" lang="BN">কোবাদ আলী বিশ্বাস</span><span style="font-size: 11.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Calibri','sans-serif'; mso-fareast-font-family: Calibri; mso-bidi-font-family: 'Times New Roman'; mso-ansi-language: EN-US; mso-fareast-language: EN-US; mso-bidi-language: AR-SA;">, </span><span style="font-size: 11pt; line-height: 115%;" lang="BN">আব্দুল গফুর</span><span style="font-size: 11.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Calibri','sans-serif'; mso-fareast-font-family: Calibri; mso-bidi-font-family: 'Times New Roman'; mso-ansi-language: EN-US; mso-fareast-language: EN-US; mso-bidi-language: AR-SA;">, </span><span style="font-size: 11pt; line-height: 115%;" lang="BN">আব্দুস সামাদ বিশ্বাস</span><span style="font-size: 11.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Calibri','sans-serif'; mso-fareast-font-family: Calibri; mso-bidi-font-family: 'Times New Roman'; mso-ansi-language: EN-US; mso-fareast-language: EN-US; mso-bidi-language: AR-SA;">, </span><span style="font-size: 11pt; line-height: 115%;" lang="BN">আকতার হোসেন তালুকদারসহ ৩০ জনকে হত্যা করা হয়। এর মধ্যে ১১ জনকে ওই সময় গণকবর দেওয়া হয়।</span></span></p> <p class="MsoNoSpacing" style="text-align: justify;">Khabir Uddin, Chand Ali, Dara Mia, Moksed Ali Biswas, Akhtar Alam, Mohsin Madhu, Shahjahan Ali, Moslem Uddin, Dr. Abdul Awal, Dr. Abul Kashem Fakir, Abdur Rashid Fakir, Zahurul Islam Fakir, Wazed Ali Sarkar, Kobad Ali Biswas, Abdul Gafur, Abdus Samad Biswas, Akhtar Hossain Talukder and 30 others were killed by the Pakistani army in Dhulauri village. 11 of them were given mass graves at that time.</p>
  • post-image
    রূপসী গণহত্যা, পাবনা/ Rupsi Village Genocide
    <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;" lang="BN-BD">১৯৭১ সালের ১৪ মে শুক্রবার এবং ১৭ মে সোমবার পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও ঘাতক দালাল রাজাকাররা সাঁথিয়া উপজেলার রূপসী গ্রামে ঘটায় ভয়াবহ গণহত্যা। প্রায় ৪০০ মানুষ নিহত হয় এখানে। ঐদিন গভীর রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী গ্রাম দুটি ঘিরে ফেলে অবিরাম গুলি করতে থাকে। গোলাগুলির শব্দে সবাই ঘুম ভেঙে ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে দৌড়ে যে যেদিকে পারে পালাতে থাকে। পাকিস্তানি হায়েনাদের গুলিতে বহু নারী-পুরুষ-শিশু মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। কয়েক</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">&rsquo;<span lang="BN-BD">শ মানুষকে নদীর পাড়ে দাঁড় করিয়ে ব্রাশফায়ার করে হত্যা করা হয়।&nbsp;</span></span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;">&nbsp;</p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;"><span lang="BN-BD">***&nbsp;</span></span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">On 14<sup>th</sup> and 17<sup>th</sup> May in 1971, the Pakistani army and their native allies Razakar perpetrated a devastated massacre at Rupsi village in Santhia Upazila. About 400 people were killed here. At midnight, the Pakistani army surrounded the village and started fired continuously. At the sound of firing, villagers woke up from sleeping and ran here and there out of panic. Many women-men and children were killed that night. Hundreds of people were lined up on the bank of the river and shot.</span></p>
  • post-image
    বাউশগারি গ্রাম বধ্যভুমি, পাবনা
    <p><span style="font-size: 11.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Vrinda','sans-serif'; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-fareast-font-family: Calibri; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-ansi-language: EN-US; mso-fareast-language: EN-US; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">বাউশগারি গ্রাম বধ্যভুমি</span><span style="font-size: 12.0pt; line-height: 115%; font-family: SutonnyMJ; mso-fareast-font-family: Calibri; mso-bidi-font-family: 'Times New Roman'; mso-ansi-language: EN-US; mso-fareast-language: EN-US; mso-bidi-language: AR-SA;">, </span><span style="font-size: 12.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Vrinda','sans-serif'; mso-ascii-font-family: SutonnyMJ; mso-fareast-font-family: Calibri; mso-hansi-font-family: SutonnyMJ; mso-ansi-language: EN-US; mso-fareast-language: EN-US; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">পাবনা</span></p> <p><span style="font-size: 12.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Vrinda','sans-serif'; mso-ascii-font-family: SutonnyMJ; mso-fareast-font-family: Calibri; mso-hansi-font-family: SutonnyMJ; mso-ansi-language: EN-US; mso-fareast-language: EN-US; mso-bidi-language: BN;" lang="BN"><span style="font-size: 11pt; line-height: 115%;" lang="BN">১৪ মে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী মতিউর রহমান নিজামি ও স্থানীয়&nbsp; পাকিস্তানি খোজদাতা আসাদ এর সহায়তায় সাথিয়া উপজেলার বাউশগাড়ি গ্রামে আসেন। এখানে তারা ঐ দিন প্রায় ৩০০-৩৫০ জন নিরীহ মানুষকে নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করে। স্থানীয় লোকজন সকল শহিদদের সৎকারের ব্যবস্থা করেন।</span></span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 12.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Times New Roman','serif'; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">The Pakistani invaders came to Baushgari village in Sathia Upazila with the help of Matiur Rahman Nizami and local Pakistani allies Asad on 14 May 1971. Here they killed about 300-350 innocent people that day. The local people arranged for the funeral of all the martyrs.</span></p>
  • post-image
    বাউশগারি গ্রাম গণহত্যা, পাবনা/ Baushgari Village Genocide
    <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;" lang="BN-BD">১৪ মে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী মতিউর রহমান নিজামি ও স্থানীয়<span style="mso-spacerun: yes;">&nbsp;</span>পাকিস্তানি তথ্যসরবরাহকারী আসাদ এর সহায়তায় সাথিয়া উপজেলার বাউশগাড়ি গ্রামে আসেন। এখানে তারা ঐ দিন প্রায় ৩০০-৩৫০ জন নিরীহ মানুষকে নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করে।<span style="mso-spacerun: yes;">&nbsp;</span>একইদিন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ৩০-৪০ জন নারীকে অমানুষিক নির্যাতন ও ধর্ষণ করে।</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;">&nbsp;</p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;" lang="BN-BD">***&nbsp;</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">On 14<sup>th</sup> May in 1971, the Pakistani army arrived at Bausgari village in Santhia upazila with the help of Motiur Rahman Nizami and local Pakistani informer Asad. Here they killed around 300-305 innocent people on that day. On the same day, the Pakistani army inhumanly tortured and raped 30-40 women.</span></p>
  • post-image
    বাউশগারি গ্রাম গণকবর, পাবনা
    <p><span style="font-size: 11.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Vrinda','sans-serif'; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-fareast-font-family: Calibri; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-ansi-language: EN-US; mso-fareast-language: EN-US; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">বাউশগারি গ্রাম গণকবর</span><span style="font-size: 12.0pt; line-height: 115%; font-family: SutonnyMJ; mso-fareast-font-family: Calibri; mso-bidi-font-family: 'Times New Roman'; mso-ansi-language: EN-US; mso-fareast-language: EN-US; mso-bidi-language: AR-SA;">, </span><span style="font-size: 12.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Vrinda','sans-serif'; mso-ascii-font-family: SutonnyMJ; mso-fareast-font-family: Calibri; mso-hansi-font-family: SutonnyMJ; mso-ansi-language: EN-US; mso-fareast-language: EN-US; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">পাবনা</span></p> <p><span style="font-size: 12.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Vrinda','sans-serif'; mso-ascii-font-family: SutonnyMJ; mso-fareast-font-family: Calibri; mso-hansi-font-family: SutonnyMJ; mso-ansi-language: EN-US; mso-fareast-language: EN-US; mso-bidi-language: BN;" lang="BN"><span style="font-size: 11pt; line-height: 115%;" lang="BN">১৪ মে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী মতিউর রহমান নিজামি ও স্থানীয়&nbsp; পাকিস্তানি খোজদাতা আসাদ এর সহায়তায় সাথিয়া উপজেলার বাউশগাড়ি গ্রামে আসেন। এখানে তারা ঐ দিন প্রায় ৩০০-৩৫০ জন নিরীহ মানুষকে নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করে। স্থানীয় লোকজন সকল শহিদদের সৎকারের ব্যবস্থা করেন।</span></span></p> <p><span style="font-size: 12.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Vrinda','sans-serif'; mso-ascii-font-family: SutonnyMJ; mso-fareast-font-family: Calibri; mso-hansi-font-family: SutonnyMJ; mso-ansi-language: EN-US; mso-fareast-language: EN-US; mso-bidi-language: BN;" lang="BN"><span style="font-size: 11pt; line-height: 115%;" lang="BN"><span style="font-size: 11.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Calibri','sans-serif'; mso-fareast-font-family: Calibri; mso-bidi-font-family: 'Times New Roman'; mso-ansi-language: EN-US; mso-fareast-language: EN-US; mso-bidi-language: AR-SA;">On 14 May 1971, the Pakistani invaders came to Baushgari village in Sathia Upazila with the help of Matiur Rahman Nizami and local Pakistani detective Asad. Here they indiscriminately shot and killed about 300-350 innocent people that day. The local people arranged for the funeral of all the martyrs.</span></span></span></p> <p>&nbsp;</p>
  • post-image
    ডেমরা বধ্যভূমি, পাবনা
    <p><span style="font-size: 11.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Vrinda','sans-serif'; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-fareast-font-family: Calibri; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-ansi-language: EN-US; mso-fareast-language: EN-US; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">ডেমরা বধ্যভূমি</span><span style="font-size: 12.0pt; line-height: 115%; font-family: SutonnyMJ; mso-fareast-font-family: Calibri; mso-bidi-font-family: 'Times New Roman'; mso-ansi-language: EN-US; mso-fareast-language: EN-US; mso-bidi-language: AR-SA;">, </span><span style="font-size: 12.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Vrinda','sans-serif'; mso-ascii-font-family: SutonnyMJ; mso-fareast-font-family: Calibri; mso-hansi-font-family: SutonnyMJ; mso-ansi-language: EN-US; mso-fareast-language: EN-US; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">পাবনা</span></p>
  • post-image
    ডেমরা গণহত্যা, পাবনা/ Demra Genocide
    <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;" lang="BN-BD">১৯৭১ সালের ১৪ মে শুক্রবার পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসর স্থানীয় রাজাকারদের সহয়তায় ফরিদপুর উপজেলার ডেমরা গ্রামের প্রায় ৮০০ নিরীহ মানুষকে হত্যা করে। এই নারকীয় হত্যাকান্ড </span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">&lsquo;<span lang="BN-BD">ডেমরা হত্যাকান্ড নামে পরিচিত</span>&rsquo;<span lang="BN-BD">। ১৯৭১ সালের ১২ মে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে রাজাকারেরা হিন্দু অধ্যুষিত এই এলাকায় এসে স্থানীয় রাজাকারদের সঙ্গে পরিকল্পনা করে। এরপর ১৪ মে রাজাকারদের সহায়তায় পাকিস্তানি সেনারা হিন্দু অধ্যুষিত ডেমরা ও পাশের গ্রাম বাউশগাড়ী গ্রামে হামলা চালিয়ে নির্বিচারে গ্রামবাসীদের হত্যা করে গণকবর দেয়। ১৪ মে ডেমরা গণহত্যার অন্যতম নায়ক ছিল মতিউর রহমান নিজামী। দুদিন আগে হিন্দু অধ্যুষিত এলাকায় এসে তিনি পরিকল্পনা করে যান স্থানীয় রাজাকারদের সঙ্গে। ওই এলাকার প্রত্যক্ষদর্শী ওয়াজেদ আলী বলেন</span>, <span lang="BN-BD">এখানে ৮০০-৯০০ লোককে হত্যা করা হয়েছে। অধিকাংশ মানুষকে মাটি চাপা দেয়া হয়।</span></span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;"><span lang="BN-BD">***&nbsp;</span></span></p> <p class="MsoNormal"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: Calibri; mso-fareast-theme-font: minor-latin; mso-ansi-language: EN-US; mso-fareast-language: EN-US; mso-bidi-language: BN-BD;">On Friday 14<sup>th</sup> May, the Pakistani </span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: Calibri; mso-fareast-theme-font: minor-latin; mso-ansi-language: EN-US; mso-fareast-language: EN-US; mso-bidi-language: BN;">Military</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: Calibri; mso-fareast-theme-font: minor-latin; mso-ansi-language: EN-US; mso-fareast-language: EN-US; mso-bidi-language: BN-BD;"> and Razakars killed around <span lang="BN-BD">800 </span>innocent people in Demra village of Faridpur upazila. This hellish massacre is known as 'Demra Genocide'.</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-fareast-font-family: Calibri; mso-fareast-theme-font: minor-latin; mso-ansi-language: EN-US; mso-fareast-language: EN-US; mso-bidi-language: BN-BD;">On May 14, with the help of the Razakars, the Pakistani army attacked the Hindu-dominated Demra and the neighboring village Bausghari, and killed the villagers indiscriminately. Motiur Rahman Nizami was one of the masterminds of the Demra Genocide. It is said that, around 800-900 people were killed here.&nbsp;</span></p>
  • post-image
    গোপালনগর গণহত্যা, পাবনা
    <p class="MsoNormal"><span style="font-family: 'Vrinda','serif'; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-font-family: Vrinda; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">ফরিদপুর উপজেলার বনওয়ারীনগর ইউনিয়নের একটি প্রসিদ্ধ গ্রাম হলো গোপালনগর। ১৯৭১ সালের ২১ আগস্ট এ গ্রামে নেমে আসে এক ভয়াবহ অধ্যায়। ২০ আগস্ট রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসর রাজাকার বাহিনী গোপালনগর গ্রাম ঘিরে ফেলে। শেষ রাতের দিকে মতান্তরে সকালে এই গ্রামের নিরীহ মানুষদের ধরে এনে গ্রামের কালীবাড়ির আটচলায় জড়ো করে। সকালে ধরে এনে নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করে। এসময় মারা যান ধীরেন সরকার</span>, <span style="font-family: 'Vrinda','serif'; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-font-family: Vrinda; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">কাসেম মোল্লা</span>, <span style="font-family: 'Vrinda','serif'; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-font-family: Vrinda; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">ভৈরব কর্মকার ও এনতাজ সরকারসহ আরও অনেকে। ঐদিন বেলা ১১-১২টার মধ্যে গোপালনগর ও তার পার্শবর্তী গ্রাম থেকে ধরে আনা লোকজনকে সারিবদ্ধভাবে দাড় করিয়ে মেশিনগান দিয়ে গুলি করে সবাইকে ঝাঁজরা করে ফেলে। </span><span style="font-family: 'Vrinda','serif'; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-font-family: Vrinda; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">&nbsp;প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে এদিন বনওয়ারীনগর গ্রামে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনির দ্বারা প্রায় ৯০-১০০ জন নিরীহ বাঙালি শহিদ হন।</span></p>
  • post-image
    গোপালনগর কালীবাড়ি বধ্যভূমি, পাবনা/ Gopalnagar Kalibari Mass Killing Site
    <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;" lang="BN-BD">স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় এই কালীমন্দিরে ঘটে একাধিক নরমেধযজ্ঞ</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Mangal',serif; mso-ascii-font-family: Kalpurush; mso-hansi-font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: HI;" lang="HI">।</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;" lang="BN-BD">বহু নিরীহ মানুষকে এখানে এনে হত্যা করা হয়</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Mangal',serif; mso-ascii-font-family: Kalpurush; mso-hansi-font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: HI;" lang="HI">।</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;">&nbsp;</p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Mangal',serif; mso-ascii-font-family: Kalpurush; mso-hansi-font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: HI;" lang="HI">***</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;">&nbsp;</p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">During the War of Independence, many people were killed in this Kalimandir (temple).&nbsp;</span></p>