জিরোপয়েন্ট গণহত্যা

চাটমোহর উপজেলা শহরের জিরো পয়েন্টে ১৯৭১ সালের ১৩ মে একদল পাকিস্তান সেনাবাহিনী গিয়ে সেখানে অবস্থিত ন্যশনাল ব্যাংক লুট করতে চায়।  এজন্য সেনাবাহিনী ব্যংকের ম্যানেজার ও ক্যাশিয়ার এর নিকট ভল্ট এর চাবি চাইলে তা না দিলে তৎক্ষণাৎ ম্যনেজার ও ক্যাশিয়ার দুইজনকে গুলি করে হত্যা করে।  এসময় ব্যাংকের দুইজন গার্ডকেও সেখানে গুলি করে হত্যা করা হয়। তাদের নাম জানা যায়নি।  একই সময় নিকটতম বড় বাড়ির রঘুনাথ কুন্ডু নামের বয়স্ক একজন এগিয়ে এলে তাকেও সেখানে গুলি করে হত্যা করা হয়। এসময় জগতবন্ধু নামের আরেকজনকেও এখানেই হত্যা করা হয়।

নিকটবর্তী আরও স্থান
  • post-image
    জিরোপয়েন্ট গণহত্যা
    <p class="MsoNormal"><span style="font-family: 'Vrinda','serif'; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-font-family: Vrinda; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">চাটমোহর উপজেলা শহরের জিরো পয়েন্টে ১৯৭১ সালের ১৩ মে একদল পাকিস্তান সেনাবাহিনী গিয়ে সেখানে অবস্থিত ন্যশনাল ব্যাংক লুট করতে চায়। <span style="mso-spacerun: yes;">&nbsp;</span>এজন্য সেনাবাহিনী ব্যংকের ম্যানেজার ও ক্যাশিয়ার এর নিকট ভল্ট এর চাবি চাইলে তা না দিলে তৎক্ষণাৎ ম্যনেজার ও ক্যাশিয়ার দুইজনকে গুলি করে হত্যা করে। <span style="mso-spacerun: yes;">&nbsp;</span>এসময় ব্যাংকের দুইজন গার্ডকেও সেখানে গুলি করে হত্যা করা হয়। তাদের নাম জানা যায়নি।<span style="mso-spacerun: yes;">&nbsp; </span>একই সময় নিকটতম বড় বাড়ির রঘুনাথ কুন্ডু নামের বয়স্ক একজন এগিয়ে এলে তাকেও সেখানে গুলি করে হত্যা করা হয়। এসময় জগতবন্ধু নামের আরেকজনকেও এখানেই হত্যা করা হয়।</span></p>
  • post-image
    নতুন বাজার গণহত্যা
    <p class="MsoNormal"><span style="font-family: 'Vrinda','serif'; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-font-family: Vrinda; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">১৯৭১ সালের ২৫ মে তারিখেই চাটমোহরে ঝরু ঠাকুরের মন্দির নামক মন্দিরে প্রবেশ করে পাকিস্তান হানাদার বাহিনী। <span style="mso-spacerun: yes;">&nbsp;</span>তখন মন্দিরে পূজা করছিলেন সেই মন্দিরের পুরোহিত বৃদ্ধ কৃষ্ণ চন্দ্র অধিকারী। <span style="mso-spacerun: yes;">&nbsp;</span>পাকিস্তানি বাহিনীর আগমনের কথাশুনে ইতিমধ্যে তাঁর পরিবারের অন্য সদস্যরা ভারতে চলে গেছে। <span style="mso-spacerun: yes;">&nbsp;</span>মন্দিরে প্রবেশ করলে কৃষ্ণ চন্দ্র অধিকারী লুটেরা ভেবে প্রতিমার হাতের ত্রিশূল নিয়ে এগিয়ে আসলে তাকে সেখানেই গুলি করে হত্যা করে এবং মন্দিরটিতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। </span></p>
  • post-image
    অষ্টমনীষা গণহত্যা
    <h1 class="MsoNormal">&nbsp;</h1> <h1><span style="font-size: 11.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Vrinda','serif'; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-fareast-font-family: Calibri; mso-fareast-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-font-family: Vrinda; mso-ansi-language: EN-US; mso-fareast-language: EN-US; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">১৯৭১ সালের ৩ জুন পাকিস্তান হানাদার বাহিনী মির্জাপুর বাজারের দক্ষিণে নদীর পাশেই অবস্থিত অষ্টমনীষা গ্রামে তিন জনকে হত্যা করে।&nbsp;</span></h1>
  • post-image
    মির্জাপুর গণহত্যা
    <p class="MsoNormal"><span style="font-family: 'Vrinda','serif'; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-font-family: Vrinda; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">চাটমোহর উপজেলার উত্তর পূর্ব দিকের একটা প্রসিদ্ধ বাজার হলো মির্জাপুর। <span style="mso-spacerun: yes;">&nbsp;</span>এ বাজারের দুই দিকে অর্থাৎ দক্ষিণ ও পশ্চিম দিকে নদী। <span style="mso-spacerun: yes;">&nbsp;</span>দুই নদীর কোণে এ বাজারটি অবস্থিত। <span style="mso-spacerun: yes;">&nbsp;</span>১৯৭১ সালের ৩ জুন পাকিস্তান হানাদার বাহিনী মির্জাপুর বাজারে আসে। <span style="mso-spacerun: yes;">&nbsp;</span>তাদের আসার খবর শুনে স্থানীয় জনগণ যে যেদিকে পারে পালিয়ে যায়। <span style="mso-spacerun: yes;">&nbsp;</span>এসময় পাকিস্তান হানাদার বাহিনী পালানোর সময় তিনজকে ধরে ফেলে এবং বাজারের পাশে নদীর তীরে গুলি করে হত্যা করে। <span style="mso-spacerun: yes;">&nbsp;</span>এদিন একই সময় পাকিস্তান হানাদার বাহিনী মির্জাপুর গ্রামের তিন জন যুবতী মেয়েকে ধরে বাজারের একটা ঘরে নিয়ে উপর্যপুরি ধর্ষণ করে। <span style="mso-spacerun: yes;">&nbsp;</span>এ তিন জনের মধ্যে একজনের নাম জানা যায়। <span style="mso-spacerun: yes;">&nbsp;</span>তিনি হলেন জামেলা খাতুন। <span style="mso-spacerun: yes;">&nbsp;</span></span></p>
  • post-image
    হাদল-কালিকাপুর গণহত্যা
    <h1 class="MsoNormal" style="text-align: left;"><span style="font-family: 'Vrinda','serif'; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-font-family: Vrinda; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">১৯৭১ সালের ২৪ মে সোমবার ( ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৩৭৮) ফরিদপুর থানার হাদল ইউনিয়নের হাদল ও কালিকাপুর গ্রামে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী নিরস্ত্র মানুষের ওপর চালায় বর্বর আক্রমন। হাদল মাদ্রাসার সাবেক প্রিন্সিপাল মৃত নওয়াব আলী হাজীর ছেলে এবং ফরিদপুর থানা শান্তি কমিটির নেতা মাওলানা হাছেন আলী আলবদর ও ঘাতক দালাল রাজাকার গং হানাদার বাহিনীর সঙ্গে মিলে চালায় এই অমানবিক আক্রমণ।</span></h1> <h1 class="MsoNormal" style="text-align: left;"><span style="font-family: 'Vrinda','serif'; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-font-family: Vrinda; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">পাকিস্তানি হানাদারদের ৩০০ সদস্য বড়াল ব্রিজ স্টেশন থেকে হাদল-কালিকাপুর গ্রামে আসে। তারা প্রথমে তাদের সহযোগীদের নিয়ে রাতে সারা গ্রামটাকে ঘিরে ফেলে এবং ভোরবেলা হত্যাযজ্ঞ শুরু করে। তাদের এই হত্যা</span>, <span style="font-family: 'Vrinda','serif'; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-font-family: Vrinda; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">লুট</span>, <span style="font-family: 'Vrinda','serif'; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-font-family: Vrinda; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">ধর্ষণ বেলা ১১টা পর্যন্ত চলতে থাকে। এতেই তারা ক্ষান্ত হয়না। সমগ্র গ্রাম আগুনে জালিয়ে পুড়িয়ে দেয়। হাদল ও কালিকাপুরের ৭০ জন এবং অন্যান্য এলাকা থেকে এসে আশ্রয় নেয়া ৭৫ জনসহ প্রায় ৩০০ নিরীহ মানুষ নিহত হয়। এদের মধ্যে ১৩১ জনের নাম জানা যায়।<span style="mso-spacerun: yes;">&nbsp; </span></span></h1>
  • post-image
    ফৈলজানা গণহত্যা
    <p class="MsoNormal"><span style="font-family: 'Vrinda','serif'; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-font-family: Vrinda; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">চাটমোহর উপজেলার দক্ষিণ পূর্ব সীমান্তবর্তী ইউনিয়ন হলো ফৈলজানা। এখানে ১৯৭১ সালের ৯ জুন পাকিস্তানি সেনাবাহীনি এখানে হামলা করে। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ফৈলজানা গ্রামে আসে মুলত লুটপাট করার জন্য। <span style="mso-spacerun: yes;">&nbsp;</span>সেখানে তারা তাহেজ উদ্দিন মৌলানা ও এজেম উদ্দিনকে গুলি করে হত্যা করে। <span style="mso-spacerun: yes;">&nbsp;</span>এ দুজনকে হত্যা ও গ্রাম পুড়ানোর পর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ফেরার পথে দুবলা পাড়া</span>, <span style="font-family: 'Vrinda','serif'; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-font-family: Vrinda; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">টিবের পাড়া</span>, <span style="font-family: 'Vrinda','serif'; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-font-family: Vrinda; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">কুদি পাড়া এলাকায় হামলা করে এবং বাড়ি ঘর জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দিয়ে যায়। <span style="mso-spacerun: yes;">&nbsp;</span>দুবলা পাড়া মাঠের মধ্যে কৃষকদের উপর হামলা করলে সবায় পালিয়ে যায় মাত্র একজন বৃদ্ধ ও একজন শিশুকে পাকিস্তান বাহিনী ধরতে পারে। <span style="mso-spacerun: yes;">&nbsp;</span>পরে সেই বৃদ্ধ ব্যক্তিকে সেখানেই গুলি করে হত্যা করে। </span></p> <p class="MsoNormal"><span style="font-family: 'Vrinda','serif'; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-font-family: Vrinda; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">ঐদিনই তারা ইদিল পুড়ে এসে নদী পার হওয়ার সময় ঘাটের পাটনিকে গুলি করে হত্যা করে এবং শিবপুর গ্রামে একজন পাগলকে মুক্তি বাহিনীর চর সন্দেহ করে গুলি করে হত্যা করে। </span></p>
  • post-image
    গরুরি গণহত্যা
    <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><strong><span style="font-family: SutonnyMJ;"><span style="font-size: 18.6667px;">&nbsp;</span></span></strong></p> <h1 class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-family: SutonnyMJ;"><span style="font-size: 18.6667px;">বৈশাখ মাসে পাকিস্তানি বাহিনী গরুরি গ্রামে আসে। তাদের মূল লক্ষ্য ছিলো গ্রামে লুটপাট করা। তারা গরুরি গ্রামে এসে গ্রামের যত হিন্দু বাড়ি ছিলো সেগুলোতে আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়। এসময় গ্রামের পূর্ব পাশের অনেক মুসলমান বাড়িও এ আগুনে পুড়ে যায়। এদিন পাকিস্তানি বাহিনী গরুরি গ্রামের ৮ জন ব্যক্তিকে হত্যা করে। এরা হলো নিমাশাই, নেত্র, নিলী, সুজিত, বোম কশাই এর মা, সুরেশ সরকার। দুই জনের নাম জানা যায়নি।</span></span></h1>
  • post-image
    মাছদিয়া-মাজপাড়া গণহত্যা
    <h1>&nbsp;</h1> <h1>২২ এপ্রিল ১৯৭১ সালে ভোর বেলা পাকিস্তানি বাহিনী এ গ্রামে আক্রমণ করে। এসময় তারা এ গ্রামে আগুন লাগিয়ে দেয়। এদিন মাছদিয়া-মাজপাড়া গ্রামে প্রচণ্ড গুলাগুলি হয়। এতে শত শত মানুষ মারা যায় এবং বহু মানুষ আহত হয়। মানুষ মারার পাশাপাশি চলে তাদের পাশবিক নির্যাতন ও নারী ধর্ষণ। এ দিন বিহারিরা পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় মাছদিয়া-মাছপাড়া গ্রামে প্রায় পাঁচশত জনকে হত্যা করে।&nbsp;</h1>
  • post-image
    বংশীপাড়া গণহত্যা
    <h1 class="MsoNormal"><span style="font-family: 'Vrinda','serif'; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-font-family: Vrinda; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">আটঘরিয়া উপজেলার মাজপাড়া বংশীপাড়া ঘাট (শহীদ কালামনগর)। পাকবাহিনী ৬ নভেম্বর মুক্তিযোদ্ধা</span>, <span style="font-family: 'Vrinda','serif'; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-font-family: Vrinda; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">গ্রামাবাসীর সঙ্গে হানাদার বাহিনীর সম্মুখযুদ্ধ সংঘটিত হয়। এ যুদ্ধে ১২ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ ৪০ জন সাধারণ গ্রামবাসী শহীদ হন। </span></h1>
  • post-image
    মুলাডুলি গণহত্যা
    <p class="MsoNormal"><span style="font-family: 'Vrinda','serif'; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-font-family: Vrinda; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">৬ এপ্রিল মঙ্গলবার বেলা ৩টার দিকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী দুইটি যুদ্ধ বিমান দিয়ে মুলাডুলি রেলগেটে বোমা নিক্ষেপ করে। এতে অনেকে হতাহত হন। তাতে ৮ জন তাৎক্ষনিকভাবে শহিদ হন এবং ৩জন মারাত্মকভাবে আহত হন।</span></p>