কেশবপুর পাইলট বালিকা বিদ্যালয় নিযার্তন কেন্দ্র/ Keshabpur Pilot Girl's School Torture Center

কেশবপুর উপজেলার সবচেয়ে বড় নির্যাতন কেন্দ্র ছিল কেশবপুর উপজেলা সদরে কেশবপুর-যশোর সড়কের পশ্চিম পাশে অবস্থিত পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ে। কেশবপুর বাজারে অবস্থিত এই স্কুল ভবনটি পাকিস্তানি সেনা ও রাজাকারদের দখলে ছিল মুক্তিযুদ্ধের সময়। উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী, মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তাকারী সন্দেহে অসংখ্য মানুষকে প্রতিদিন ধরে আনতো পাকিস্তানি সেনা ও রাজাকাররা। এছাড়া রাজাকাররা গ্রামে গ্রামে ঢুকে ঘরবাড়ি লুটপাট করতো। লুটপাটে বাধা দিলে অথবা কাউকে সন্দেহ হলে ধরে আনতো বালিকা বিদ্যালয়ে। দিনের পর দিন বেদম প্রহার, উল্টো করে ঝুলিয়ে রেখে মারধোর, হাতুড়ি দিয়ে পেটানো, কিল চড় লাথি নানারকম সব ভয়ংকর নির্যাতন চালাতো। অনেক মানুষ নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে ওখানেই মারা গেছে।

 

***

The largest torture center of Keshabpur Upazila was at the Pilot Girl's School located at Keshabpur Upazila Sadar. This school building was occupied by the Pakistani army and Razakars during the liberation war. They brought numerous people every day from different villages suspecting them as Awami League leaders, freedom fighters and their allies. Besides, they had looted the houses of villagers. Many people died there because of intolerable torture like beating, hanging upside down, and beating with a hammer, kicking days after days.

নিকটবর্তী আরও স্থান
  • post-image
    কেশবপুর পাইলট বালিকা বিদ্যালয় নিযার্তন কেন্দ্র/ Keshabpur Pilot Girl's School Torture Center
    <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; mso-bidi-font-size: 12.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">কেশবপুর উপজেলার সবচেয়ে বড় নির্যাতন কেন্দ্র ছিল কেশবপুর উপজেলা সদরে কেশবপুর-যশোর সড়কের পশ্চিম পাশে অবস্থিত পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ে। কেশবপুর বাজারে অবস্থিত এই স্কুল ভবনটি পাকিস্তানি সেনা ও রাজাকারদের দখলে ছিল মুক্তিযুদ্ধের সময়। উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী, মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তাকারী সন্দেহে অসংখ্য মানুষকে প্রতিদিন ধরে আনতো পাকিস্তানি সেনা ও রাজাকাররা। এছাড়া রাজাকাররা গ্রামে গ্রামে ঢুকে ঘরবাড়ি লুটপাট করতো। লুটপাটে বাধা দিলে অথবা কাউকে সন্দেহ হলে ধরে আনতো বালিকা বিদ্যালয়ে। দিনের পর দিন বেদম প্রহার, উল্টো করে ঝুলিয়ে রেখে মারধোর, হাতুড়ি দিয়ে পেটানো, কিল চড় লাথি নানারকম সব ভয়ংকর নির্যাতন চালাতো। অনেক মানুষ নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে ওখানেই মারা গেছে।</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;">&nbsp;</p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; mso-bidi-font-size: 12.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">***</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; mso-bidi-font-size: 12.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">The largest torture center of Keshabpur Upazila was at the Pilot Girl's School located at Keshabpur Upazila Sadar. This school building was occupied by the Pakistani army and Razakars during the liberation war. They brought numerous people every day from different villages suspecting them as Awami League leaders, freedom fighters and their allies. Besides, they had looted the houses of villagers. Many people died there because of intolerable torture like beating, hanging upside down, and beating with a hammer, kicking days after days.</span></p>
  • post-image
    চিনেটোলা বাজারের পাশে গণকবর/ Mass Graves Besides Chinetola Bazar
    <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; mso-bidi-font-size: 12.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">যশোরের মনিরামপুর উপজেলার চিনেটোলা বাজারে হরিহর নদের ধারে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন পাঁচ সূর্য-সৈনিক: তৎকালীন পূর্বপাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের নেতা অমিত সম্ভাবনায় যুবক আসাদ, শান্তি, মানিক, তোজো ও ফজলু। ১৯৭১ সালের ২৩ অক্টোবর রাতে পাকিস্তানি হানাদারদের এদেশীয় দোসর রাজাকার বাহিনী তাঁদেরকে চিনেটোলা বাজারে নির্মম নির্যাতনের পর হত্যা করে</span><span style="font-size: 12.0pt; mso-ansi-font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;" lang="BN-BD">।</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 12.0pt; mso-ansi-font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;" lang="BN-BD">***</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;">&nbsp;</p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; mso-bidi-font-size: 12.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">Five young student leaders are&nbsp;</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;" lang="BN-BD">lying&nbsp;</span><span style="font-size: 14.0pt; mso-bidi-font-size: 12.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">on the banks of the Harihar River in Chinetola Bazar of Jessore's Manirampur Upazila. They were the leaders of the then East Pakistan Students' Union: Asad, Shanti, Manik, Tejo and Fazlu. On the night of October 23, 1971, the Pakistani Army and the the collaborators Razakar tortured and killed the brutally at Chinetola market.</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; mso-bidi-font-size: 12.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">&nbsp;</span></p>
  • post-image
    চিনেটোলা গণহত্যা/ Chinetola Genocide
    <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; mso-bidi-font-size: 12.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">যশোরের মনিরামপুর উপজেলার চিনেটোলা বাজারে হরিহর নদের ধারে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন পাঁচ সূর্য-সৈনিক: তৎকালীন পূর্বপাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের নেতা অমিত সম্ভাবনায় যুবক আসাদ, শান্তি, মানিক, তোজো ও ফজলু। ১৯৭১ সালের ২৩ অক্টোবর রাতে পাকিস্তানি হানাদারদের এদেশীয় দোসর রাজাকার বাহিনী তাঁদেরকে চিনেটোলা বাজারে নির্মম নির্যাতনের পর হত্যা করে</span><span style="font-size: 12.0pt; mso-ansi-font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;" lang="BN-BD">।</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 12.0pt; mso-ansi-font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;" lang="BN-BD">***</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;">&nbsp;</p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; mso-bidi-font-size: 12.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">Five young student leaders are </span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;" lang="BN-BD">lying </span><span style="font-size: 14.0pt; mso-bidi-font-size: 12.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">on the banks of the Harihar River in Chinetola Bazar of Jessore's Manirampur Upazila. They were the leaders of the then East Pakistan Students' Union: Asad, Shanti, Manik, Tejo and Fazlu. On the night of October 23, 1971, the Pakistani Army and the the collaborators Razakar tortured and killed the brutally at Chinetola market.</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; mso-bidi-font-size: 12.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;"><span style="mso-spacerun: yes;">&nbsp;</span></span></p>
  • post-image
    মঙ্গলকোট ডাকবাংলো নিযার্তন কেন্দ্র/ Mongalkot Dakbungalow Torture Center
    <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; mso-bidi-font-size: 12.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">ব্রিজ থেকে প্রায় ৩০০ গজ দূরে ছিল জেলা পরিষদের এই ডাকবাংলো। ব্রিটিশ আমলে নির্মিত পাকা দেওয়াল ও টিনের চাল দেওয়া ডাকবাংলোটি ছিল নদীর পাশেই। বর্তমানে নদী শুকিয়ে যাওয়ায় এই স্থান থেকে অনেক দূরে সরে গেছে। একাত্তরে পাকিস্তানি সেনা ও রাজাকারেরা এই ডাক বাংলোতে অস্থায়ী ঘাঁটি নির্মাণ করে। এর পাশেই ছিল তাদের বিশাল একটি বাঙ্কার। সেই বাঙ্কারে সবসময় ভারী আগ্নেয়াস্ত্র তাক করে রাখা হতো। এর ফলে ঐ অঞ্চলের সাধারণ জনগণ ঐসব দেখে সবসময় তটস্থ ও আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে থাকতো। প্রায় প্রতিদিন রাতে গুলি করে ও জবাই করে প্রচুর মানুষকে হত্যা করা হতো ব্রিজের উপর। পাকিস্তানি সেনারা ও রাজাকাররা দিনের বেলা বিভিন্ন এলাকায় মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সহযোগীদের খুঁজতে চলে যেতো, তাদের প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী। গ্রামে গ্রামে গিয়ে তাদের না পেলে ঘরবাড়ি আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দিতো, লুটপাট করতো। যাদের খুঁজে পেতো তাদেরকে ধরে এনে ডাকবাংলোর মধ্যে রেখে দিনের পর দিন অকথ্য নির্যাতন চালাতো। রাজাকাররা গ্রাম থেকে যুবতী মেয়ে ও স্ত্রীদের ধরে এনে পাকিস্তানি সেনাদের হাতে তুলে দিতো। পাকিস্তানি সেনারা দিনের পর দিন ঐ ডাকবাংলোতে রেখে তাদের ধর্ষণ ও নানারকম বীভৎস শারীরিক নির্যাতন চালাতো।</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;">&nbsp;</p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;">&nbsp;</p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; mso-bidi-font-size: 12.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">***</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; mso-bidi-font-size: 12.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">The district council's Dakbungalow was about 300 yard from the bridge. The Dakbungalow was built during the British period. In 1971, The Pakistani army and Razakars built temporary base and a large bunker full of heavy firearms. As a result, the people of this are were always terrified to see them. Nearly every night many people were shot and slaughtered on the bridge. Pakistani troops and Razakars used to go to different areas during the day to search for freedom fighters and their supporters. If they did not find them in the villages, they would burn houses and loot them. The Razakars used to take young girls and women from the village and handed them over to the Pakistani army. The Pakistani soldiers raped and abused them ghastly days after days. </span></p>
  • post-image
    মঙ্গলকোট ব্রিজ বধ্যভূমিয Mongalkot Bridge Mass Killing Field
    <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">মঙ্গলকোট ব্রিজের কাছে এই বধ্যভূমিতে মে মাস থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত কত মানুষকে যে হত্যা করা হয়েছে তাঁর সংখ্যা হিসেবে করা সম্ভব না। যুদ্ধকালে কেশবপুর উপজেলা ও বহিরাগত মিলে প্রায় ১০০০ মানুষকে এখানে হত্যা করা হয়েছে।</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;">&nbsp;</p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">***</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">It is not possible to estimate the accurate number of people killed from May to December in this Mass Killing Field near the&nbsp;<span style="font-size: 14pt; line-height: 115%;">Mongalkot&nbsp;</span>Bridge. At least 1000 people were killed here during the wartime. <span style="mso-spacerun: yes;">&nbsp;</span></span></p>
  • post-image
    মঙ্গলকোট বধ্যভূমি/ Mongalkot Mass Killing Field
    <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; mso-bidi-font-size: 12.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">৫ নং মঙ্গলকোট ইউনিয়নে মঙ্গলকোট বাজারে ব্রিজের কাছে একাত্তরে অসংখ্য মানুষকে হত্যা করা হয়েছিল। চুকনগর থেকে যশোর যাওয়ার মহাসড়কে মঙ্গলকোট বাজারের পাশে বুড়িভদা নদীর উপর মঙ্গলকোট ব্রিজ। এই ব্রিজের উত্তরপাশে এবং যশোর-কেশবপুর রোড সংলগ্ন পশ্চিম পাশে পাকিস্তানি সেনা ও রাজাকাররা একটা বড় বাংকার তৈরি করেছিল। ঐ বাংকারে তারা পালাক্রমে থাকতো। বাংকারের তিনপাশে কয়েকফুট উচুঁ ইটের তৈরি দেওয়াল ছিল। কেশবপুর উপজেলা, চুকনগরসহ আশে পাশের এলাকা থেকে স্বাধীনতাকামী জনগণ ও শরণার্থীদের ধরে এনে এই ব্রিজের ওপর দাঁড় করিয়ে হত্যা করে তাদের লাশ নদীতে ভাসিয়ে দিতো। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে প্রায় ১০০০ মানুষকে এখানে হত্যা করা হয়েছে।</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;">&nbsp;</p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; mso-bidi-font-size: 12.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">***</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; mso-bidi-font-size: 12.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">Numerous people were killed in 5 No. Mongalkot Union, at the Mongalkot Market near the bridge. The Mongalkot Bridge is situated over the Burivada River, beside the market. On the north of this bridge and west of the Jessore-Keshabpur Road, the Pakistani army and Razakars built a large bunker with high brick walls. Many libertarian people and refugees from Keshabpur Upazilla, Chuknagar and neighboring area were abducted and killed on the bridge. At least 1000 people were killed here during wartime. </span></p>
  • post-image
    পাজিয়া ইউনিয়ন গণহত্যা/Pajia Union Genocide
    <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; mso-bidi-font-size: 12.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">৭ আগস্ট এলাকার রাজাকার বাহিনীর সদস্যরা পাজিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে হামলে পড়ে। সেদিন তারা বেশ কয়েকজনকে গুলি করে ও জবাই করে হত্যা করে । ঐ গণহত্যায় শহিদ হন - মনোহর নগর গ্রামের দিলীপ কুমার রায়, মজিদ সরদার ও মিনাজ মোড়ল; হদ গ্রামের নূর আলী সানা ও সামছুর রহমান সরদার; ডোঙ্গাঘাটা গ্রামের ধীরেন্দ্র দেবনাথ এবং বাগডাঙ্গা গ্রামের পুলিন বিহারী রায়। একাত্তরে রাজাকারদের হাতে গণহত্যার শিকার এই শহিদদের স্মরণে ২০১০ সালের ডিসেম্বর মাসে পাজিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সামনে একটি নামফলক সহ &lsquo;পাজিয়া শহিদ স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করেন স্থানীয় মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের জনগণ।</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;">&nbsp;</p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; mso-bidi-font-size: 12.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">***</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; mso-bidi-font-size: 12.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">On August 7, members of the Razakar forces attacked the villages of Pajia Union. On that day, they shot and slaughter several people. The names of the martyred in the genocide are - Dilip Kumar Roy, Majid Sardar, Minaj Modal, Noor Ali Sana and many others. The local people built a 'Pazia Shaheed Memorial' with a nameplate in front of the Pajia Union Parishad on December 2010 to commemorate the martyrs of the genocide.</span></p>
  • post-image
    রাজগঞ্জ হাইস্কুলে পাকিস্তানি সেনা ও রাজাকার ক্যাম্প/ Rajganjg High School Pakistani Army and Razakar Camp
    <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">মনিরামপুর সদর থেকে পশ্চিম দিকে প্রায় ১০ কি. মি. দূরে রাজগঞ্জ বাজারে অবস্থিত হাইস্কুলে পাকিস্তানি সেনা ও রাজাকাররা ক্যাম্প স্থাপন করে। পাকিস্তানি সেনারা মাঝে মাঝে এবং রাজাকাররা সব সময় এই ক্যাম্পে অবস্থান করতো। পাকিস্তানি সেনা ও রাজাকাররা বিভিন্ন গ্রাম থেকে মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্যকারী হিসেবে বহু লোককে ধরে এনে দিনের পর দিন আটকে রেখে </span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">এখানে নির্যাতন করতো, এবং হত্যা করতো। সাধারণ মানুষদের ধরে এনেও নির্যাতন করা হতো। </span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">বহু মানুষকে এই নির্যাতন কেন্দ্রে হত্যা করা হয়েছে।</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;">&nbsp;</p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">***&nbsp;</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">The Pakistani army and Razakars set up a camp at a high school located at Rajganj Bazar</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">about </span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN;">10 </span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">km west of Monirampur Sadar. They used to imprison freedom fighters and the people who tried to help freedom fighters, and then tortured them for days after days. They also used to kill most of them. Many people had been killed in this torture center.</span></p>
  • post-image
    রাজগঞ্জ বধ্যভূমি/ Rajganj Mass Killing Field
    <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">রাজগঞ্জ হাইস্কুলে পাকিস্তানি সেনা ও রাজাকার</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN;" lang="BN"> কর্তৃক অনেকগুলো গণহত্যা </span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">সংঘটিত হয়</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">, এবং সাধারণ মানুষদের উপর অত্যাচার চালানো হয়। </span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">হানুয়ার গ্রামের প্রবোধ কুমার সাধু রাজগঞ্জ বাজারে প্রথম বাংলাদেশের পতাকা উড়ানোর অপরাধে রাজাকাররা তাকে হত্যা করে। লুৎফর রহমান ও অনিল রাজবংশী নেংগুড়া বাজারের পাশে রাজাকার ক্যাম্প রেকি করতে গিয়ে ধরা পড়ে রাজাকারদের হাতে শহিদ হন। এছাড়া ধনু বিশ্বাস, পলাশ সহ আরো অনেককে বিভিন্ন সময়ে রাজগঞ্জ বাজারে হত্যা</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN;" lang="BN"> করা হয়েছে। </span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">আগস্ট মাসের শেষের দিকে পাকিস্তানি সেনারা কোমলপুর গ্রামের মিস্ত্রিপাড়া থেকে অনেক নিরীহ মানুষকে ধরে এনে রাজগঞ্জ বাজারের পাশে এনে হত্যা করে। </span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;">&nbsp;</p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">***</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN;">Pakistani Army and Razakars had perpetrated various genocides and tortured local peoples in various times of Liberation War at Rajaganj Highschool. </span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">Razakars killed</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">Prabod Kumar Sadhu for flying the Bangladeshi flag first at Rajganj Bazaar in Hanuar village. Lutfar Rahman, Anil Rajbangshi</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">Dhanu Biswas, Palash and many others were exterminated in different periods of 1971. In late August, Pa</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush;">kistani</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;"> army abducted many innocent people from Mistripara in Kompalpur village and killed them near Rajganj Bazar. </span></p>
  • post-image
    রাজগঞ্জ বাজার গণহত্যা/ Rajaganj Bazar Genocide
    <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">রাজগঞ্জ হাইস্কুলে পাকিস্তানি সেনা ও রাজাকার</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN;" lang="BN"> কর্তৃক অনেকগুলো গণহত্যা </span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">সংঘটিত হয়</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN;" lang="BN">, এবং সাধারণ মানুষদের উপর অত্যাচার চালানো হয়। </span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">হানুয়ার গ্রামের প্রবোধ কুমার সাধু রাজগঞ্জ বাজারে প্রথম বাংলাদেশের পতাকা উড়ানোর অপরাধে রাজাকাররা তাকে হত্যা করে। লুৎফর রহমান ও অনিল রাজবংশী নেংগুড়া বাজারের পাশে রাজাকার ক্যাম্প রেকি করতে গিয়ে ধরা পড়ে রাজাকারদের হাতে শহিদ হন। এছাড়া ধনু বিশ্বাস, পলাশ সহ আরো অনেককে বিভিন্ন সময়ে রাজগঞ্জ বাজারে হত্যা</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN;" lang="BN"> করা হয়েছে। </span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">আগস্ট মাসের শেষের দিকে পাকিস্তানি সেনারা কোমলপুর গ্রামের মিস্ত্রিপাড়া থেকে অনেক নিরীহ মানুষকে ধরে এনে রাজগঞ্জ বাজারের পাশে এনে হত্যা করে।</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;">&nbsp;</p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">***&nbsp;&nbsp;</span></p> <p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN;">Pakistani Army and Razakars had perpetrated various genocides and tortured local peoples in various times of Liberation War at Rajaganj Highschool. </span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">Razakars killed</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">Prabod Kumar Sadhu for flying the Bangladeshi flag first at Rajganj Bazaar in Hanuar village. Lutfar Rahman, Anil Rajbangshi</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">Dhanu Biswas, Palash and many others were exterminated in different periods of 1971. In late August, Pa</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush;">kistani</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 115%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;"> army abducted many innocent people from Mistripara in Kompalpur village and killed them near Rajganj Bazar. </span></p>